ঢাকাFriday , 6 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইউটিউব থেকে সরানো হলো ‘নির্ভয়া’

Link Copied!

nirbhayaতথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : অবশেষে ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেয়া হল ভারতের গণধর্ষণ নিয়ে বিতর্কিত তথ্যচিত্র ‘নির্ভয়া’। ইউটিউবে তথ্যচিত্রটি প্রচারের পরপরই ভারত জুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরই প্রেক্ষিতে বিবিসিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়।
ভারতে ওই তথ্যচিত্র সম্প্রচারের উপরে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ব্রিটেনে ইতিমধ্যেই তা প্রদর্শন করেছে বিবিসি। কেন্দ্রের তরফে দাবি করা হচ্ছে, চ্যানেল ফোর এ ওই তথ্যচিত্র সম্প্রচারের আগেই বিবিসিকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছে, তথ্যচিত্রটি ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করা হবে না, এই শর্তেই তাদের তিহার জেলে শুটিং করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা সেই শর্ত ভঙ্গ করেছে। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বিবিসি কর্তৃপক্ষ নোটিসের কোনও জবাব দেননি বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।
এদিকে বিবিসিকে ঠেকাতে না পারলেও ইউটিউব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে লেসসি উডউইনের তথ্যচিত্রটির লিংক সরিয়ে ফেলা সম্ভব হয়েছে বলে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের দাবি। বস্তুত, বিবিসির সম্প্রচারের চেয়ে ইউটিউবে তথ্যচিত্রটি এসে যাওয়াটাই কেন্দ্রের মাথা ব্যথার বড় কারণ হয়েছিল। বিবিসির সম্প্রচার এ দেশে কেউ দেখতে পাননি। কিন্তু ইউটিউবের কল্যাণে লাখ লাখ মানুষের কাছে ছড়িয়ে যায় ‘ইন্ডিয়াজ ডটার’। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাইবার সেল বলছে, গতকাল রাত থেকেই ইউটিউবের মাধ্যমে সাইবার দুনিয়ায় ছড়িয়ে পরে তথ্যচিত্রটি। এর পরপরই ইউটিউব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাদের বোঝানো হয়, বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। এ ব্যাপারে সরকারের দায়বদ্ধতা রয়েছে। রাতে লিংকটি সরিয়ে নেয় ইউটিউব কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এতে কতটা কাজ হবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন মন্ত্রণালয়ের অনেক কর্তাব্যক্তি। কারণ লিংক সরানোর আগে তথ্যচিত্রটি বেশ কয়েক হাজার বার ডাউনলোড করা হয়েছে। যা পরে হোয়াটসঅ্যাপ বা ইমেলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর মতো বিবিসিকেও মোদী সরকার অনুরোধ জানিয়েছিলো, তথ্যচিত্রটির প্রদর্শন বন্ধ রাখার জন্যে। কিন্তু বিবিসি সাফ জানিয়েছিলো, তারা একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম। তারা সম্প্রচার বন্ধ রাখবে না।