ঢাকাThursday , 5 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

হোলি উৎসবে রঙিন জয়া

Link Copied!

joyaবিনোদন ডেস্ক : হোলির রঙে রঙিন সকলে। রঙের এ উৎসবে মাতোয়ারা অভিনেত্রী জয়া আহসান। হোলির আয়োজেন কলকাতায় তার সহশিল্পীদের সঙ্গে রঙ খেলছেন তিনি। এই প্রথমবারের মত হোলি খেলে উচ্ছ্বসিত জয়া তার ফেসবুকে দিয়েছেন আবীরের রঙে মাখা হোলি স্পেশাল ছবি। সৃজিত মুখার্জির ‘রাজকাহিনি’ ছবির শুটিংয়ে বর্তমানে কলকাতায় আছেন এই অভিনেত্রী। ছবিতে তার সঙ্গে অভিনয় করছেন সুপ্রিয়া দেবী, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পার্নো মিত্র, ব্রাত্য বসু, কৌশিক সেনসহ কলকাতার প্রথম সারির অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।
এছাড়াও ইন্দ্রনীল রায় চৌধুরীর ‘বাঙালি ভূতের গল্প’ ও শিবপ্রধান চট্টোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের ‘কণ্ঠ’ ছবিতে অভিনয় করছেন জয়া আহসান।
পৌরাণিক কাহিনীতে আছে, গায়ের রং ঢাকতেই বসন্তের এক প্রেমময় মুহুর্তে আবীর দিয়ে রঙ খেলা শুরু করেন শ্রীকৃষ্ণ। রাধার অমন জ্যোৎস্নার মতন গায়ের রঙ দেখে কালাচাঁদের হিংসা হতেই পারে। তবে কালের বিবর্তনে রাধা ও গোপিনীদের সঙ্গে কৃষ্ণলীলায় থেমে থাকেনি এই হোলি খেলা কিংবা দোলউৎসব। বর্তমানে হোলি খেলা হয়ে উঠেছে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে মনের রঙে সকলকে রাঙিয়ে দেওয়ার বাসন্তী উৎসব।
বৈষ্ণব বিশ্বাস অনুযায়ী, ফাল্গুনী পূর্ণিমা বা দোলপূর্ণিমার দিন বৃন্দাবনে শ্রীকৃষ্ণ আবির ও গুলাল নিয়ে রাধিকা ও অন্যান্য গোপীগণের সাথে রং খেলায় মেতেছিলেন। সেই ঘটনা থেকেই দোল খেলার উৎপত্তি হয়। দোলযাত্রার দিন সকালে তাই রাধা ও কৃষ্ণের বিগ্রহ আবির ও গুলালে স্নাত করে দোলায় চড়িয়ে কীর্তনগান সহকারে শোভাযাত্রা বের করা হয়। এরপর ভক্তেরা আবির ও গুলাল নিয়ে পরস্পর রং খেলেন।
দোল উৎসবের অনুষঙ্গে ফাল্গুনী পূর্ণিমাকে দোলপূর্ণিমা বলা হয়। আবার এই পূর্ণিমা তিথিতেই চৈতন্যদেবের জন্ম বলে একে গৌরপূর্ণিমা নামেও অভিহিত করা হয়। দোলযাত্রা উৎসবের একটি ধর্মনিরপেক্ষ দিকও রয়েছে। এই দিন সকাল থেকেই নারীপুরুষ নির্বিশেষে আবির, গুলাল ও বিভিন্ন প্রকার রং নিয়ে খেলায় মত্ত হয়।
শান্তিনিকেতনে বিশেষ নৃত্যগীতের মাধ্যমে বসন্তোৎসব পালনের রীতি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়কাল থেকেই চলে আসছে। দোলের পূর্বদিন খড়, কাঠ, বাঁশ ইত্যাদি জ্বালিয়ে এক বিশেষ আগুন উৎসবের আয়োজন করা হয়। এই উৎসব হোলিকাদহন বা নেড়াপোড়া নামে পরিচিত।