ঢাকাThursday , 5 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নেইমারের জোড়া গোলে ফাইনালে বার্সা

Link Copied!

neymarস্পোর্টস ডেস্ক : সুপার ফর্মে রয়েছে বার্সেলোনার আক্রমণত্রয়ী মেসি, নেইমার এবং সুয়ারেজ। এক একদিন জ্বল উঠছেন এক একজন। আর অনায়াসে জয় নিয়ে ঘরে ফিরছে বার্সেলোনা। বুধবার রাতেও জ্বলে উঠলেন তিনজনের দু’জন।
নেইমার-সুয়ারেজ। এর মধ্যে জোড়া গোল করলেন ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন নেইমার। একটি গোল করেছেন সুয়ারেজ। এই তিন গোলেই কোপা ডেল রের ফাইনালে পৌঁছে গেল প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ ২৬ বারের চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনা।
সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচটি ৩-১ ব্যাবধানে জিতে ফাইনালে এক পা দিয়েই রেখেছিল বার্সেলোনা। এবার এস্টাডিও এল মাদ্রিগালেও স্বাগতিকদের একই ব্যবধানে হারালো কাতালানরা। দুই লেগ মিলে ৬-২ ব্যবধানে ভিয়ারিয়ালকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো লুই এনরিকের দল। ভিয়ারিয়ালের একমাত্র গোলটি করেন জোনাথন দস সান্তোস।
এস্টাডিও এল মাদ্রিগালে খেলতে নামার শুরুতেই ফাইনাল একরকম নিশ্চিত করে ফেলে কাতালানরা। মাত্র তিন মিনিটের মাথায় নেইমারের গোলে এগিয়ে যায় বার্সা।
তৃতীয় মিনিটের ওই গোলে দারুণ অবদান ছিল সুয়ারেজ ও লিওনেল মেসির। মাঝ মাঠের আগে থেকে উড়ে আসা বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ডান দিকে থাকা মেসিকে লম্বা পাস দেন সুয়ারেজ। আর আর্জেন্টিনা অধিনায়কের রক্ষণের ওপর দিয়ে বাড়ানো বল-এ আলতোভাবে পা লাগিয়েই গোলরক্ষকের মাথার উপর দিয়ে জালে জড়ান নেইমার।
৩৯তম মিনিটেই দারুণ গোছানো এক আক্রমণ থেকে সমতায় ফেরে স্বাগতিক ভিয়ারিয়াল। বাঁ-দিক থেকে স্প্যানিশ মিডফিল্ডার জাউমা কস্তার ক্রসে প্রথম শটেই বল জালে জড়ান মেক্সিকান মিডফিল্ডার জোনাথন দস সান্তোস।
সমতায় ফেরার পর ম্যাচে লড়াইয়ের আভাস দেয় ভিয়ারিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে তারা সুযোগও ভালোই তৈরি করছিল, কিন্তু ৬৫তম মিনিটে নেইমারকে বিপজ্জনক ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখে তমাস পিনা বহিষ্কৃত হওয়ায় তাদের সব আশাই বলতে গেলে শেষ হয়ে যায়।
৭২তম মিনিটে দলকে এগিয়ে দেয়ার সুযোগ নষ্ট করেন নেইমার। তার কোনাকুনি শটটি ঠেকিয়ে দেন ভিয়ারিয়াল গোলরক্ষক সার্জিও আসেঞ্জো।
পরের মিনিটেই গোল করেন সুয়ারেজ। মাঝ মাঠের কাছাকাছি থেকে হ্যাভিয়ের মাসচেরানোর লম্বা করে বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ক্ষিপ্রতার সঙ্গে ডি বক্সে ঢুকে এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে কাটিয়ে গোলটি করেন উরুগুইয়ান এই স্ট্রাইকার। সব ধরণের প্রতিযোগিতা মিলে টানা তিন ম্যাচে গোল করলেন সুযারেস।
এরপর ৮৮তম মিনিটে দলের তৃতীয় ও নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন নেইমার। বদলি হিসেবে নামা স্প্যানিশ মিডফিল্ডার চাভি এরনান্দেসের ক্রসে হেড করে বল জালে পাঠান তিনি।