ঢাকাWednesday , 16 October 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আইনি জটিলতায় উচ্চ আদালতের বিচারক অপসারণ প্রক্রিয়া

Link Copied!

উচ্চ আদালতে ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর বিচারপতিদের পদত্যাগের বিষয় নিয়ে চলছে নানা টানাপোড়েন। আইনি জটিলতায় আটকে আছে বিচারপতিদের অপসারণ প্রক্রিয়া।প্রশ্ন দেখা দিয়েছে উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কোন প্রক্রিয়ায়? আইনজীবীরা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠনের বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ শুনানি শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকার কথা বলেন। কেউ বলছেন, অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করে ব্যবস্থা নিতে পারে সরকার। হাইকোর্টের ‘দলবাজ ও ফ্যাসিস্ট’ বিচারপতিদের পদত্যাগ চান আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ আইনজীবীরা। তারা বলেন, আমরা সরকার পতনের পর থেকেই হাইকোর্ট বিভাগের দলবাজ ও ফ্যাসিস্ট বিচারপতিদের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন করে আসছি। আমাদের দাবি মানতে হবে। এ বিষয়ে বিচারপতিদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করা আইনজীবীদের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট শাহ আহমেদ বাদল বলেন, আমরা গত ১৫ অক্টোবর দলবাজ বিচারপতিদের পদত্যাগের দাবিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি, তাদের পদত্যাগ চেয়েছি। ছুটি কোনো সমাধান নয়। ছুটিতে গেলেও তারা বিচারপতিই থাকবেন। এসব বিচারপতিদের পেছনে রাষ্ট্রের অর্থ খরচ করার আর কোনো যুক্তি নেই। আমরা তাদের পদত্যাগ চাই। এদিকে আওয়ামী লীগের ‘দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্ট’ বিচারপতিদের পদত্যাগ দাবিতে গতকাল অবস্থান করছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে হাইকোর্ট ঘেরাও করে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা। তাদের পাশাপাশি দুর্নীতিবাজ বিচারপতিদের পদত্যাগ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচি পালন করছে বৈষম্যবিরোধী আইনজীবী সমাজ, জাতীয় নাগরিক কমিটি-লিগ্যাল উইং। গতকাল হাইকোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে পৃথকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করছেন তারা। বিক্ষোভকারী আইনজীবীরা বলেন, রাষ্ট্রের ভঙ্গুর অবস্থার জন্য দলবাজ ও দুর্নীতিবাজ বিচারপতিরাও দায়ী। এই বিচারপতিরা আওয়ামী লীগের নির্দেশ ও ইচ্ছাকে আইনে পরিণত করেছেন। তাদের জন্যই এত রক্তপাত হয়েছে। শেখ হাসিনা হাজারো ছাত্র-জনতাকে হত্যার সাহস পেয়েছেন। এত মানুষকে গুম, খুন ও হত্যার দায় এই বিচারপতিদেরও। তারা এই বিচারপতিদের স্বেচ্ছায় সরে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু তারা তা করেননি। আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের ‘দোসর’ বিচারপতিরা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তারা এই কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। অন্যদিকে এদিকে গত ৫ অক্টোবর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে অন্তত ৩০ জন বিচারপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। ৩০ বিচারপতির নামের তালিকাও ঘুরছে হাতে হাতে। এছাড়া তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে গত ৭ অক্টোবর প্রধান বিচারপতি বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয় এবং মানববন্ধন করা হয়।বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, গত ১৫ বছরে আচরণবিধি লঙ্ঘনে জড়িত বিচারপতিদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাঁচ বছর আগে দুর্নীতির অভিযোগে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয় হাইকোর্ট বিভাগের তিন বিচারপতিকে। তাদের বিষয়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সব মিলিয়ে প্রশ্ন এখন উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কোন প্রক্রিয়ায়? আইনজীবীরা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠনের বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন মত দিয়েছেন। আবার কেউ কেউ ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ শুনানি শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকার কথা বলেন। কেউ বলছেন, অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করে ব্যবস্থা নিতে পারে সরকার।যদিও সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল সংসদের হাতে, তা চূড়ান্তভাবে বাতিল করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ। এই রায়ের ফলে ক্ষমতা আবারো সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের হাতে ফিরে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। কিন্তু বর্তমানে ওই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ (পুনর্বিবেচনার) আবেদন শুনানি অব্যাহত রয়েছে। ১৯৭২-এর সংবিধানে বিচারপতিদের অপসারণে বা অভিসংশনের ক্ষমতা সংসদের হাতেই ছিল। ১৯৭৫-এ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ক্ষমতা দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতিকে। ১৯৭৮ সালে জিয়াউর রহমান সামরিক ফরমানে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলকে এই ক্ষমতা দেন। তার সময়ই পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান সংবিধানে স্থান পায়।২০১০ সালে আপিল বিভাগ পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করলেও সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের বিধানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। পরের বছর ২০১১ সালে জাতীয় সংসদে গৃহীত পঞ্চদশ সংশোধনীতে বাহাত্তরের সংবিধানের অনেক বিষয় ফিরিয়ে আনা হলেও সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল রেখে দেওয়া হয়। সংসদের হাতে বিচারক অপসারণের ক্ষমতা দিয়ে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ষোড়শ সংশোধনী আনা হলে তাতে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বাদ দেওয়া হয়।ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন ৯ আইনজীবী। শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের তিন বিচারকের বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে। শুনানি নিয়ে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহার নেতৃত্বে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ ২০১৭ সালের ৩ জুলাই সর্বসম্মতিতে আপিল খারিজ করে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন।আপিল বিভাগ শুনানিকালে মোট ১০ জন অ্যামিকাস কিউরির মতামত নেন। তাদের মধ্যে ৯ জন ষোড়শ সংশোধনীর বিপক্ষে মত দেন। তারা হলেন ড. কামাল হোসেন, এম আই ফারুকী, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ এম হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার এম আমির-উল ইসলাম, বিচারপতি টি এইচ খান, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, ফিদা এম কামাল এবং এ জে মোহাম্মদ আলী। শুধু ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে মত দেন।আইনজীবীরা বলেন, ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে চেয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার। কিন্তু আপিল বিভাগের রায়ের মধ্য দিয়ে তা ধূলিসাৎ হয়েছে।
রিটকারী আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা আবার সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের হাতেই ফিরে গেছে। এ রায় ঘোষণার পর থেকেই কাউন্সিল আবার কার্যকর হয়েছে। সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল কীভাবে কাজ করে এবং এর গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘কোনো বিচারপতির অদক্ষতা, দুর্নীতি বা বিচারপতির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পেলে প্রধান বিচারপতিকে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করতে বলবেন রাষ্ট্রপতি। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে এই কাউন্সিলে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতিসহ মোট তিন সদস্যের কাউন্সিল হবে। এই কাউন্সিলই অভিযোগের তদন্ত করবে, শুনানি করবে। আর যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেবে। এরপর তারা সিদ্ধান্ত দেবে যে অভিযোগটি সঠিক কি না। তারপর রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মতামতের ভিত্তিতে ওই বিচারকের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।সংসদের হাতে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা থাকায় অসুবিধা কী ছিল জানতে চাইলে মনজিল মোরসেদ বলেন, সংসদের হাতে থাকলে বিচার বিভাগের ওপর চাপ সৃষ্টি হতো। তারা পুরো স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারতেন না। কারণ বাংলাদেশে সংসদ সদস্যরা শুধু আইন প্রণয়নই করেন না, তারা নিজের নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়নমূলক কাজসহ নানা কাজে জড়িত। তাছাড়া উচ্চ আদালতে যত রিট বা মামলা হয়, তার অধিকাংশই এসব কাজ নিয়ে। একজন সংসদ সদস্য চান যে রায় যেন তার পক্ষে আসে। ফলে তা বিচার বিভাগের ওপর প্রভাব সৃষ্টি করতো। অথবা রায় কারও বিপক্ষে গেলে সংশ্লিষ্ট বিচারপতিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হতো। সংসদে অভিযোগ তুলে আলোচনাও শুরু হতো। ফলে বিচারকের স্বাধীনভাবে বিচার করা কঠিন হয়ে পড়তো। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ রায়ের মধ্য দিয়ে সংসদের সার্বভৌমত্ব কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ হয়নি। এছাড়া সংসদের সার্বভৌমত্ব বলে কিছু নেই। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সার্বভৌম হলো জনগণ অর্থাৎ সার্বভৌমত্ব জনগণের। সংসদ আইন প্রণয়ন করবে আর সংবিধানের রক্ষক হলো সুপ্রিম কোর্ট। সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বা যে কোনো আইনই সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করে দিতে পারে।’ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘প্রধান বিচারপতিকে অনুরোধ করবো, আপনার উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করুন এবং বিচারকদের বিরুদ্ধে যদি কোনো অভিযোগ পাওয়া যায় সেগুলোর বিষয়ে কার্যক্রম শুরু করুন। তিনি বলেন, উচ্চ আদালতে বিচারক নিয়োগের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী একটি নীতিমালা তৈরি করবে এবং সেই নীতিমালার আলোকে আপাতত অর্ডিন্যান্স জারি করা হোক, ইন্টেরিম অ্যারেজমেন্ট।
বিচারপতি অপসারণ প্রক্রিয়া কী এবং সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল বহাল আছে কি না- এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে এ ক্ষমতা (বিচারপতি অপসারণ) জাতীয় সংসদের কাছে দিতে সংবিধানে ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়েছিল। কিন্তু এখন সংসদ নেই। এদিক দিয়ে যদি দেখা যায় বিচারপতি অপসারণ কোনো প্রক্রিয়ায় হবে সেটাও সঠিকভাবে নেই। তা হলে উচ্চ আদালতের বিচারক অপসারণ প্রক্রিয়া কী হবে সেটা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে, ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের ফলে আমার মতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অসদাচরণ তদন্ত ও অপসারণের সুপারিশ করার ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের হাতেই ফিরছে। তিনি জানান, বিচারপতি অপসারণের বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। বিচার বিভাগের সংস্কার নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বিচারপতির বিষয়ে কোনো অভিযোগ থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু কোন মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এখন তো আপাতত কোনো প্রক্রিয়া নেই। তবে, সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলকে ফেরত আনাসহ আমাদের সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের কিছু রুলস রিভাইজ করা দরকার। ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগ সরকার সংবিধানকে অপব্যবহার করেছে, সেই বিষয়ে এই সংবিধানকে রিফর্ম করে আইন প্রয়োগ করতে একটা অর্ডিন্যান্স জারির মাধ্যমে সেটি করতে পারে। অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে অর্থাৎ আগামী সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে রিভিউ আবেদনের ওপর শুনানি হবে। গত ১৫ আগস্ট প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এখন ওই শুনাননিতে কি আদেশ আসে জাতি তারই অপেক্ষায় রয়েছে।