স্পোর্টস ডেস্ক : শ্রীলংকার বিরুদ্ধে পেয়েছেন বিশ্বকাপের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি। তবে আকঙ্খাটা আরও বেশী। খেলতে চান লম্বা ইনিংস। চলমান বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে আলো ছড়ানোর প্রত্যাশায় সাব্বির রহমান। আগামী পাঁচ মার্চ নেলসনে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। যে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তবে স্কটিশদের বিরুদ্ধে জয় পেতে দৃঢ় প্রত্যয়ী বাংলাদেশের এই ব্যাটসম্যান।
১৯৯৯ অভিষেক বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম জয় ছিল স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে। এরপর আর দুটি ম্যাচে স্কটিশদের হারানোর অভিজ্ঞতা আছে বাংলাদেশের। সব মিলিয়ে টানা চতুর্থ জয়ের মিশনে রয়েছে টাইগাররা। প্রস্তুতি প্রসঙ্গে সাব্বির জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি সবসময়ই ভালো ছিল। স্কটল্যান্ড ম্যাচটি আমাদের জন্য বড় ম্যাচ। আশা করি জিতব আমরা। নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারলে, ইনশাল্লাহ জয় আসবেই’।
গত ম্যাচে মেলবোর্নে ৩৩৩ রানের লক্ষ্যে নামা বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসটি সাব্বিরই খেলেছিলেন। কিন্তু দিন শেষে দল ৯২ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যাওয়ায় তার মুখে হাসি থাকেনি।
এ কারণেই হয়ত আরো লম্বা ইনিংস খেলে ম্যাচ বের করে আনতে প্রত্যয়ী এই ২৪ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। অবশ্য ব্যক্তিগত প্রাপ্তির চেয়ে দলের জয়টাকে গুরুত্ব দেয়ার কথা জানাতে ভোলেননি তিনি। ‘আমি যদি পারফর্ম করি আর দল হারে, তাহলে আমার কোনো লাভ নেই; দলেরও কোনো লাভ নেই। ক্রিকেট একটা টিম গেম। তো আমি যদি একটা রানও করি আর টিম জেতে, তাহলে এটাই আমার জন্য বড় অর্জন হবে।’
নেলসনে স্কটল্যান্ডকে ঘায়েল করার একটা পথও সতীর্থ বোলারদের দেখিয়ে দিয়েছেন সাব্বির। তার মতে, প্রতিপক্ষের স্পিন দুর্বলতা কাজে লাগাতে হবে। ‘ওদের সঙ্গে আমাদের পার্থক্য হতে পারে, ওরা হয়ত স্পিনে দুর্বল। আমাদের ভালো ও অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান আছে; ভালো স্পিনার আছে এবং স্পিনে ওদের দুর্বলতা আমাদের কাজে লাগাতে হবে।’
লংকানদের সঙ্গে বড় ব্যবধানে হারার পর একটা চাপ তৈরি হয়েছে দলের উপর। তবে এটা দলের উপর প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করেন সাব্বির, ‘একটা ম্যাচ হারার পর অন্য ম্যাচে অনেক চাপ থাকে। তবে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলছি এবং এটা সবচেয়ে বড় বিষয়। পরের ম্যাচেও আমরা ভালো করেই খেলব।’
স্কটল্যান্ডকে হারাতে পারলে বাংলাদেশের মিশন হবে পরের ম্যাচে ইংলিশদের বধ করা। তা হলে বাংলাদেশ উঠে যাবে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে। এ প্রসঙ্গে সাব্বির বলেন, ‘আমরা যদি শতভাগ দেই, তাহলে কোনো না কোনো বড় দলকে ধরে ফেলতে পারব।’
তিন ম্যাচে বাংলাদেশের পয়েন্ট তিন (এক জয়, এক পরাজয়, এক ম্যাচ পরিত্যক্ত)। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান তৃতীয়।

