বিনোদন ডেস্ক : ৪ এপ্রিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১৩ প্রদানের তারিখ চূড়ান্ত হয়েছে বলে বিএফডিসি সূত্রে জানা গেছে। এবারের অনুষ্ঠান অয়োজন করা হবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবারও পুরস্কার তুলে দেবেন। এরই মধ্যে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণের জন্য অতিথিদের জন্য চিঠি প্রস্তুত করতে শুরু করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়।
এবারের তালিকায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার পাচ্ছে মৃত্তিকা মায়া। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ছবিটি পরিচালনা করেছেন গাজী রাকায়েত। একই ছবির জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন গাজী রাকায়েত। প্রধান চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পাচ্ছেন তিতাস জিয়া (মৃত্তিকা মায়া), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী মৌসুমী (দেবদাস), পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেতা মামুনুর রশীদ (মৃত্তিকা মায়া) ও পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন রেহানা জলি (মৃত্তিকা মায়া)। সেরা গায়ক হিসেবে তালিকায় নাম রয়েছেন চন্দন সিনহা (আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো), সেরা গীতিকার কবির বকুল (আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো), সুরকার কৌশিক হোসেন তাপস (আমি নিঃস্ব হয়ে যাবো) এবং সেরা সঙ্গীত পরিচালক একে আজাদ (মৃত্তিকা মায়া)। এছাড়া শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবে রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিনের নাম চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে। জানা গেছে দুজনকে যৌথভাবে পুরস্কৃত করা হবে। আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হচ্ছেন চিত্রনায়িকা কবরী।
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, তথ্যসচিব, চলচ্চিত্র অঙ্গনের শিল্পী, কলাকুশলীসহ আর অনেকে উপস্থিত থাকবেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা কমিটির প্রধান থাকছেন বিএফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুন অর রশীদ, বিটিভির মহাপরিচালক আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির মহাসচিব মুশফিকুর রহমান গুলজার।
অনুষ্ঠানের উপস্থাপক ও উপস্থাপিকা কারা হবেন তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র পুরস্কার। ১৯৭৫ সাল থেকে এই পুরস্কারটি প্রদান করা হচ্ছে। ২০০৯ সালে প্রথম আজীবন সম্মাননা পুরস্কার দেওয়া চালু করা হয়।

