ঢাকাThursday , 26 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রোটিয়াদের দুশ্চিন্তার নাম গেইল

Link Copied!

chris-gayle1স্পোর্টস ডেস্ক : ক্রিস গেইল ফর্মে থাকলে কি হয় সেটা তামাম ক্রিকেট দুনিয়া আরেকবার অবলোকন করেছে জিম্বাবুয়ে ম্যাচে। এতদিন ওয়ানডে ক্রিকেটে যে চারটি ডাবল সেঞ্চুরি হয়েছিল সবগুলোই ছিল ভারতের মাটিতে। ভারত বলয় থেকে ওয়ানডের ডাবল সেঞ্চুরিটাকে বের করে আনলেন গেইল। দ্বিপক্ষীয় সিরিজ বা ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্টে নয় একেবারে বিশ্বকাপের মত বড় মঞ্চে। গেইলের ২১৫ রানের বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড। বড় কথা, ব্যাটিং দৈত্যের এই ইনিংস যে কোন দলকে ভয় ধরিয়ে দিতে যথেষ্ঠ।
দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাই সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এসসিজি) ক্যারিবিয়ানদের আটকানোর জন্য আলাদা ছকই কষতে হবে। বিশেষ করে গেইলকে ঠেকানোর কৌশল তারা বের করার চেষ্টা করবে স্বাভাবিক। এখন দেখার, দক্ষিণ আফ্রিকার পেসাররা কিভাবে গেইলকে আটকে রাখেন? আর সেটা দেখতে হলে চোখ রাখতে হবে এসসিজিতে শুক্রবার, বাংলাদেশ সময় সকাল ৯.৩০ মিনিটে।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের হটকেক গেইল। বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া টি২০ লিগে তাকে পাওয়ার জন্য দলগুলোর মধ্যে হুড়োহুড়ি লেগে যায়। বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে ফ্লপ ছিলেন। কিন্তু তৃতীয় ম্যাচে এসে গেইল টি২০‘র পারফরম্যান্সই টেনে আনলেন। জ্যামাইকান ঝড় উঠলে আর জিম্বাবুয়ের বোলারদেরই বা কি করার থাকে! দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান ফ্যাফ ডু প্লেসিসেরও যত চিন্তা গেইলকে নিয়ে, ‘আমরা ঘরের মাঠে তাদের বিপক্ষে একটি সিরিজ খেলেছি। ভাল করেই জানি, তারা দল হিসেবে কেমন। তারা খুবই ভয়ংকর এক দল। তাদের ম্যাচ জেতাতে পারেন এমন প্রচুর খেলোয়াড় আছে। গেইল বিশ্বমানের একজন খেলোয়াড়। ও খুবই বিপদজনকও। তার দিনে দ্রুত রান করার পাশাপাশি ম্যাচও বের করে নিয়ে যেতে পারেন। তাকে দ্রুত ফেরানোটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করার পর উইন্ডিজ মারকুটে ওপেনার ক্রিস গেইল
প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের কাছে অপ্রত্যাশিত হারের পর পাকিস্তানকে ১৫০ রানে হারিয়ে দোর্দন্ড প্রতাপে ফিরে এসেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আর জিম্বাবুয়ে তো এক গেইল ঝড়েই লন্ডভন্ড হয়ে গিয়েছে। ক্যারিবিয়ান দলে শুধু গেইল নয়, লোয়ার মিডল অর্ডারে পাওয়ার হিটিংয়ের অনুপম প্রদর্শন করতে পারেন ড্যারেন স্যামি-আন্দ্রে রাসেলরা। টপ অর্ডারে একই কাজ করার ওস্তাদ ডুয়াইন স্মিথ-মারলন স্যামুয়েলসও। লেন্ডল সিমন্সকেও ভুলে গেলে চলবে না। একবার ভাবুন, এই দলে যদি কাইরন পোলার্ড-ডোয়াইন ব্রাভো যোগ দিতেন তাহলে কি ভয়ংকর দলেই না পরিণত হতো ওয়েস্ট ইন্ডিজ!
ভারতের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকার পেস আক্রমণ কার্যকর না হওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ডি ভিলিয়ার্সের দলকে। অথচ এবারই বড় সুযোগ প্রোটিয়াদের সামনে চোকার্স অপবাদ মুছে ফেলার। বিশ্বকাপের ঠিক আগে আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩১ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। হাশিম আমলা এখনও ওভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। একই কথা প্রযোজ্য কুইন্টন ডি ককের বেলায়ও। অবশ্য মিডল অর্ডারে জেপি ডুমিনি-ডেভিড মিলার দু’জনই সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ৬২ রানে হারিয়েছিল জিম্বাবুয়েকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের সঙ্গে ১৩০ রানের বড় ব্যবধানে হেরে যায় প্রোটিয়া শিবির। শুক্রবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে কক্ষপথে ফেরার চেষ্টাই করবে এবি ডি ভিলিয়ার্স শিবির।