হারানো বা চুরি হওয়া কিংবা ছিনতাই হওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারই যেন নেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে খিলগাঁও থানা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর শেখ জসিম উদ্দীন এর।
ইতোমধ্যে শত শত মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিকের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন তিনি।
সাব ইন্সপেক্টর শেখ জসিম উদ্দীন এর এ যেন এক নেশা হয়ে উঠেছে। হারানো ফোন উদ্ধার না করা পর্যন্ত তার যেন স্বস্তি নেই। যে কারণে এই সাব ইন্সপেক্টর শেখ জসিম উদ্দীন এখন অনেকের প্রিয়দের তালিকায়। কারণ, অভিযোগ পেলেই তার সত্যতা যাচাইয়ের পর দ্রুতই মোবাইল ফোন উদ্ধারে নেমে পড়েন সাব ইন্সপেক্টর শেখ জসিম উদ্দীন। উদ্ধার করে তা পৌঁছে দেন মালিকের হাতে।
এমনটাই জানালেন হারানো মোবাইল ফিরে পাওয়া বেশ কয়েকজন।
তারা বলেন, অনেকের ধারণা হারানো মোবাইল উদ্ধারের বিষয়ে থানায় গেলে তেমন কোনো সাড়া পাওয়া যায় না। কেউ কেউ তো আবার উদ্ধার বাবদ খরচও দাবি করেন। অনেকে আবার ফোন উদ্ধারের আশাও ছেড়ে দেন। কিন্তু এই পুলিশ কর্মকর্তা শেখ জসিম উদ্দীন এ বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক। দ্রুততার সঙ্গে রেসপন্স করেন এবং মোবাইল ফোন উদ্ধার করে দেন।
এভাবে মোবাইল ফিরে পেয়ে অনেকেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার করে দেওয়ার বিষয়ে
সাব ইন্সপেক্টর শেখ জসিম উদ্দীন বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অনেকটা ভালো লাগা থেকেই এই কাজটি নিয়মিত করি। একজন ব্যক্তি তার হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ফিরে পেলে যে আনন্দটা পান সেটাই আমার বড় প্রাপ্তি।
এক্ষেত্রে, খিলগাঁও থানার ওসি সালাউদ্দিন স্যার, এসি স্যারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা রয়েছে বলে জানান তিনি। ওসি সালাউদ্দিন স্যার, এসি স্যার ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দিকনির্দেশনায় পুলিশী সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া এবং হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়ার মনোভাবের কারণেই আমার এই কাজটি অনেক সহজ হয়েছে। শুধু খিলগাঁও থানায় নয়; বাংলাদেশের যেকোন থানার জিডি হলেও সমস্যা নেই, জিডি মূলে সকল জায়গা থেকে ফোন উদ্ধার করে দেই, অনেক জেলার অনেক মানুষের হারানো মোবাইল উদ্ধার করে দিয়েছি।

