ঢাকাTuesday , 5 March 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভারতকে ৩-১ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনালে বাংলাদেশ

Link Copied!

সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে নেপালকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচেও দুর্দান্ত লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। শক্ত প্রতিপক্ষ ভারতকে উড়িয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে মেয়েরা।
নেপালের কাঠমান্ডুর আনফা কমপ্লেক্সে মঙ্গলবার ভারত অনূর্ধ্ব-১৬ দলকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ দলের মেয়েরা। লাল-সবুজ মেয়েদের মধ্যে গোল করেছেন আলপি আক্তার, সুরভী আকন্দ প্রীতি ও অপির্তা বিশ্বাস। ভারতের একমাত্র গোলটি করেছেন আনুশকা কুমারী।
সাফ অনূর্ধ্ব-১৬ চ্যাম্পিয়নশিপে চার দল অংশগ্রহণ করছে। রাউন্ড-রবিন লিগ পদ্ধতিতে তিন ম্যাচ শেষে শীর্ষ দুই পয়েন্ট ধারী দল ফাইনাল খেলবে। দুই ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ ছয় পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে। নেপাল ও ভারতের পয়েন্ট তিন। ভুটান দুই হারে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে। নেপাল ও ভারতের মধ্যে এক দল জয়ী হলে ১০ মার্চ বাংলাদেশের সঙ্গী হবে ফাইনালে। ড্র হলে হবে অন্য হিসাব নিকাশ। ৮ মার্চ বাংলাদেশ-ভুটান ম্যাচ শুধুই আনুষ্ঠানিকতা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ আলফি আক্তারের গোলে ভারতের বিপক্ষে লিড নেয়। দ্বিতীয়ার্ধে ভারত বাংলাদেশকে চেপে ধরে। ৫০ মিনিটে ভারতের একটি আক্রমণ পোস্টে লাগে। চার মিনিট পর বক্সের ডান প্রান্তের কোণা থেকে ভারতের ফরোয়ার্ড আনুষ্কা কুমারীর শট বাংলাদেশের জালে জড়ায়।
ম্যাচে সমতা আনার পর ভারত লিড নেওয়ার চেষ্টা করে। বাংলাদেশের ফুটবলাররা স্কিলে ভারতকে যথেষ্ট টেক্কা দিয়েছে। ৮০ মিনিটে প্রীতি ভারতীয় দুই ডিফেন্ডারকে পেছনে ফেলে দুরন্ত গতিতে বক্সে প্রবেশ করে অসাধারণভাবে প্লেসিংয়ে গোল করেন। প্রীতির ব্যক্তিগত দক্ষতায় বাংলাদেশ ম্যাচে লিড পায়। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস জটলার মধ্যে আরেকটি গোল করলে বাংলাদেশ ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে।
গত মাসে সাফের অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত ম্যাচে অনেক নাটকীয়তা হয়েছিল। নির্ধারিত সময় ১-১ হওয়ার পর সরাসরি টাইব্রেকারে গড়ায় খেলা। টাইব্রেকারে দুই দলই ১১টি সমান গোল করেন। এরপর আকস্মিকভাবে লঙ্কান ম্যাচ কমিশনার টস করেন। এতে বাংলাদেশ হারলে আপত্তি করে। পরবর্তীতে দুই দলকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে।
ঐ ঘটনার পর বাংলাদেশ-ভারত আবার নারী ফুটবলে মুখোমুখি হয়েছে। সেই লড়াইয়ে বাংলাদেশ জেতায় খানিকটা মানসিক স্বস্তিতে রয়েছে। যদিও দু’টি দল ভিন্ন পর্যায়ের।