ঢাকাWednesday , 18 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ভুয়া তালিকা দিয়ে এতিমদের টাকা আত্মসাত

Link Copied!

Patuakhali-Orphanageপটুয়াখালী প্রতিনিধি : এতিমখানায় কোনো এতিম না থাকলেও ১০ জন এতিমের ভুয়া তালিকা তৈরি করে তাদের খাওয়া ও পোশাক বাবদ দুমকি উপজেলার হাসেমীয়া ইসলামিয়া শিশু সদনের নামে এ পর্যন্ত প্রায় ৩ লাখ ১২ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এ বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়ে শিশু সদনটি পরিদর্শন করেছেন দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাব্বির আহমদ।
সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া হাসেমীয়া ইসলামি শিশু সদনের নামে একটি সাইনবোর্ড ছাড়া বাস্তবিক পক্ষে আর কিছুই নেই। একটি নির্মাণাধীন দ্বিতল ভবনের সামনে শিশু সদনের সাইনবোর্ডটি লাগানো আছে। আর কোনোই কার্যক্রম নেই। স্থানীয়রা বলছেন এই এতিমখানায় তারা কোনো সময়ে কোনো এতিমকে থাকতে দেখেননি।
উপজেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রমতে, সমাজ সেবা অধিদপ্তর হতে নিবন্ধিত দুমকি হাসেমীয়া এতিমখানার সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, ১১-১২ অর্থ বছরে ৩ জন এতিমের বিপরীতে ২৫ হাজার ২০০শ টাকা, ১২ -১৩ অর্থ বছরে ৫ জন এতিমের বিপরীতে ৬০ হাজার টাকা, ১৩-১৪ অর্থ বছরে ১০ জন এতিমের বিপরীতে এক লাখ ৪৪ হাজার টাকা ও ১৪-১৫ অর্থ বছরে ১ লাখ ৪৪ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। তবে বছর বছর এতিমদের খাওয়া ও পোশাক বাবাদ অর্থ উত্তোলন করলেও তার এতিমখানাটি দীর্ঘ দিন ধরে খালি পড়ে আছে। সেখানে নেই এমিতদের থাকা ও খাওয়ার কোনো ব্যবস্থা।
এ বিষেয় অভিযুক্ত এতিমখানার সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার ওখানে ৬ জন এতিম আছে। বর্তমানে তারা একটি মাদরাসায় অবস্থান করছে। আমি সেখানে নিয়মিত তাদের খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করছি’।
এ বিষয়ে শহিদুল ইসলাম নামে স্থানীয় বাসিন্দা লিখিত অভিযোগে জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে শুরু থেকে অদ্যাবদি কোনো আসবাবপত্র ও এতিম নিবাসী নেই। বিভাগীয় পরিদর্শন কিংবা প্রশাসনের তদারকিকালে বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েকজন এতিম শিশুকে উপস্থিত করে ছবি তুলে রাখে। ওই ছবি ও ভুয়া নামের তালিকা দেখিয়ে পার পেয়ে যান। এমন কৌশলেই এ যাবৎ এতিমদের জন্য বরাদ্দ সরকারি টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ করে যাচ্ছেন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুমকি ইউএনও সাব্বির আহমদ ওই এতিমখানা পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘অভিযোগ এসেছে এবং সে বিষয়ে তদন্ত চলছে। যেহেতু তদন্তটি প্রাথমিক পর্যায়ে আছে সে ক্ষেত্রে তদন্ত প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আমি কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।