মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ভারত সরকার ১০ মে-র মধ্যে মলদ্বীপে থাকা ৮৯ জন সেনা সরিয়ে নেবে। আর প্রত্যাহার শুরু হবে ১০ মার্চ থেকে।’
টিআরটিওয়ার্ল্ড আরও জানায়, রাজধানী দিল্লিতে মালদ্বীপ থেকে ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা করতে দ্বিতীয় বার দুই দেশের প্রতিনিধিরা বৈঠক করার পর দেশটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিবৃতি দিল।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ভারত এবং মালদ্বীপ, উভয়পক্ষই পারস্পরিক সাহায্যের মাধ্যমে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে ভারত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সেই বৈঠকে মালদ্বীপে থাকা ভারতীয় সেনা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার জন্য কয়েকটি ‘কার্যকর সমাধান’ খুঁজে বার করা গিয়েছে।
উভয় দেশই সেই সমাধানে সম্মতি জানিয়েছে বলেও জানিয়েছে ভারত। যদিও মালদ্বীপ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু জানায়নি ভারত।
আনন্দবাজার জানায়, মালদ্বীপ দাবি করছে, তাদের ‘বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’-এ ঢুকে তাদের দেশের মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে বাধা দিয়েছে ভারতীয় সেনা।
মাছ ধরার তিনটি নৌকায় উঠে পড়েছে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। এই অভিযোগ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেনি ভারত সরকার।
মালদ্বীপের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি দিয়ে দাবি করেছে, ৩১ জানুয়ারি মালদ্বীপের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে মাছ ধরছিলেন মৎস্যজীবীরা। তাঁরা তিনটি নৌকায় ছিলেন। ভারতীয় সেনা সেই মৎস্যজীবীদের বাধা দেয়।
মালদ্বীপের দাবি, এতে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন লঙ্ঘিত হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ঘটনা নিয়ে ভারত সরকারের থেকে বিশদ তথ্য চেয়েছে মালদ্বীপের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

