বুধবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডি ও লালবাগ সার্কেল ভূমি অফিসে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে ভূমি কর্মকর্তাদের এ নির্দেশনা দেন তিনি। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, কোনো পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি ছাড়াই ভূমিমন্ত্রী ধানমন্ডি ও লালবাগ সার্কেল ভূমি অফিসে গিয়ে প্রথমেই বাইরে অপেক্ষাগারে পরিচয় প্রকাশ না করে অপেক্ষমাণ ভূমিসেবা গ্রহীতাদের ভূমি অফিসের সেবার মান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন এবং সেবার মান উন্নয়নে তাদের কোনো পরামর্শ আছে কি না তা জানতে চান।
সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাও ছিলেন। মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা ভূমিসেবা গ্রহীতাকে জানান মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত ভূমিসেবা দিচ্ছে ভূমি অফিস। ভূমিমন্ত্রীর সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়ের আইন শাখার যুগ্ম সচিব মো. খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
ভূমিমন্ত্রীর আসার খবর পেয়ে এ সময় সংশ্লিষ্ট এসিল্যান্ডসহ অন্যান্য ভূমি কর্মকর্তা বাইরে অপেক্ষাগারে এলে তাদের সেবা প্রার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলেন মন্ত্রী। পরে মন্ত্রী সার্কেলের ডিজিটাল সেবা ড্যাশবোর্ড এবং দাপ্তরিক দলিলাদি পরিদর্শন করেন। ট্রান্সফার দলিলের মাধ্যমে যেসব নামজারির আবেদন হয় তা দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন ভূমিমন্ত্রী।
বর্তমানে জমির রেজিস্ট্রেশনের পূর্বে হালনাগাদ মিউটেশন ও ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ দেখেই রেজিস্ট্রেশন করা হয়। বিক্রি কিংবা অন্য কোনোভাবে ভূমি হস্তান্তরের পূর্বেও উল্লিখিত জমি একই ভূমি অফিসের মাধ্যমেই নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে কিছু আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই দ্রুত নামজারি করে দিলে কোনো আইনের ব্যত্যয় হয় না এবং জনগণেরও সুবিধা হয়।
এছাড়া রেজিস্ট্রেশন-মিউটেশন আন্তঃসংযোগ উদ্যোগের মাধ্যমে এ ধরনের নামজারি স্বয়ংক্রিয় করার উদ্যোগ ইতোমধ্যে নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। জনগণের সুবিধার্থে ভূমিমন্ত্রী এ কারণে ট্রান্সফার দলিলের মাধ্যমে যেসব নামজারির আবেদন হয় তা এখন থেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির ব্যাপারে ভূমি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।

