ঢাকাWednesday , 18 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চাপকে জয় করলেন সাকিব-মুশফিক

Link Copied!

Sakib-Musiস্পোর্টস ডেস্ক : বাংলদেশের ক্রিকেট, ক্রিকেটার এবং পরিবেশ অনেক বেশি পরিচিত আফগান অধিনায়ক মোহাম্মদ নবির। বাংলাদেশে এসে খেলে গেছেন বিপিএলে (বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে)। সিলেট রয়্যাসের হয়ে খেলার সময় এখানকার ক্রিকেট নিয়ে অনেক বেশি জ্ঞান নিয়ে গেছেন নিশ্চয়। তারওপর গত এশিয়া কাপে ঢাকাতেই বাংলাদেশকে হারানোর সুখস্মৃতি ছিল জমা রয়েছে তাদের কাছে। সুতরাং, ম্যাচের আগে ‘বাংলাদেশই চাবে থাকবে বেশি’- বলাটা মোহাম্মদ নবির পক্ষে বেমানান নয়।
ক্যানবেরার মানুকা ওভালে আফগানদের বিপক্ষে খেলতে নেমে শুরু থেকে বাংলাদেশ কিছুটা চাপে ছিল বৈকি। না হয়, তামিম ইকবাল আর এনামুল হক বিজয়েরমত মারমুখি ব্যাটসম্যানকে দেখা যেতো না ধীরে-সুস্থে ব্যাটিং করতে।
রান তোলার মন্থর গতি দেখেই বোঝা গিয়েছিল দুই ব্যাটসম্যানের ওপর কেমন চাপ ছিল! শুধু তাই নয়, দুই ব্যাটসম্যানের মধ্যে বোঝা-পড়ারও অভাব ছিল খুব। যতক্ষণ তারা ক্রিজে ছিলেন, ততক্ষণে বেশ কয়েকবার দেখা গিয়েছিল রান আউটের সম্ভাবনা তৈরী করতে।
৪৭ রানের জুটি গড়ার পর ওপেনিং জুটি ভেঙে পড়ে। ৫২ রানের মধ্যে ফেরেন দুই ওপেনার। সৌম্য সরকারকে তিন নম্বরে উইকেটে পাঠানো নিশ্চিতই একটি চমক। এই চমকের সুফল খুব বেশি তুলতে পারেননি দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামা সৌম্য। ২৫ বলে ২৮ রান তুলে উইকেটে সেট হওয়ার ইঙ্গিত দিলেও আফগান বোলারদের ইনসুইঙ্গার সঠিকভাবে পড়তে পারেননি। ফলে আউট হলেন এলবিডব্লিউ হয়ে।
উইকেটে এসে ইদানিং যিনি নির্ভরতার প্রতীক হয়ে উঠেছেন, সেই মাহমুদুল্লাহকে নামানো হলো চার নম্বরে। তিনিও পারলেন না বেশিক্ষণ থিতু হতে। ৪৬ বল খেলে মাত্র ২৩ রান করে ফিরে গেলেন তিনিও।
১১৯ রানের মধ্যে চার উইকেট চলে গেলে বিপদেই পড়ে বাংলাদেশ। এ সময় পুরো দলকে টেনে তোলার পুরো দায়িত্ব বর্তায় দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান আর মুশফিকুর রহিমের ওপর। আফগান গোলার সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ালেন এ দু’জন।
সাহসের সঙ্গে মোকাবেলা করতে শুরু করলেন হমিদ হাসান, শাপুর জাদরান, আফতাব আলমদের নিক্ষিপ্ত অগ্নি গোলক। একই সঙ্গে দ্রুততার সঙ্গে রানের চাকাও সচল রাখলেন। ৪০ বলে মুশফিকের এবং ৪৩ বলে সাকিবের হাফ সেঞ্চুরি পূরণ দেখেই বোঝা যায় কতটা মারমুখি এবং দায়িত্বশীল ব্যাটি করেছেন তারা দু’জন।
বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে ১১৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়লেন তারা দু’জন। আফগানরা যে চাপ তৈরী করেছিল, সেটাকে নিমিষেই তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলেন সাকিব-মুশফিক। বাংলাদেশকে নিয়ে গেলেন চ্যালেঞ্জিং স্কোর তৈরী করার পথে।
৫১ বলে ৬৩ রান করে যখন সাকিব প্যাভিলিয়নের পথে, তখন বাংলাদেশ ২৩৩ রানের রক্ষণশীল একটি স্কোরে পৌঁছে গেছে ততক্ষণে। ৫৬ বলে ৭১ রান করে ফিরলেন মুশফিকুর রহিম। বাংলাদেশ তখন ২৪৭ রানে পৌঁছে গেছে। শেষ অংশে মাশরাফি দ্রুত কিছু রান তুলে নিজেদের স্কোরকে নিয়ে যায় ২৬৭ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোরে।
শেষ পর্যন্ত আফগান অধিনায়ক মোহাম্মদ নবির কথাকে মিথ্যাই প্রমানিত করতে পারলেন বাংলাদেশের দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার সাকিব আর মুশফিক। শেষে তো বল হাতে তাতে আরও মাত্রা যোগ করলেন মাশরাফি-রুবেলরা।