নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সমন্বয়ে ই-লার্নিং শুরু হয়। যেখানে সেখার প্রক্রিয়াটা খবুই সহজ ও যুগোপযোগী। প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার চেয়ে ই-লার্নিং পদ্ধতিতে শিক্ষণ প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হয়। এই পদ্ধতিতে খরচ কম। শিক্ষার্থীদের কাছে এটি বারবার শিক্ষণযোগ্য। ফলে পৃথিবীতে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ই-লার্নিং। ডিজিটাল ওয়াল্ডের তৃতীয় দিনে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষের মিডিয়া বাজারে এক সেমিনারে বক্তারা এসব অভিমত তুলে ধরেন।
সেমিনারের বিষয় ছিল ‘পটেনশিয়াল অব ই-লার্নিং টু রিচ দ্য আনরিচ’। এটুআই প্রজেক্টের ই-লার্নিং স্পেশালিস্ট প্রফেসর ফারুক আহমেদের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন এটুআই প্রজেক্টের ক্যাপাসিটি ডেভিলপমেন্ট অফিসার শাহ মো. সানাউল হক। অনুষ্ঠানে পেনালিস্ট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে প্রফেসর মোস্তফা আজাদ কামাল, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র ডিরেক্টর প্রফেসর আসিফ সালেহসহ ই-লার্নিংয়ের সঙ্গে জড়িতরা।
এটুআই প্রজেক্টের ক্যাপাসিটি ডেভিলপমেন্ট অফিসার শাহ মো. সানাউল হক ই-লার্নিং ধারণার উপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করে বলেন, ‘ই-লার্নিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থী দ্রুত তার শিক্ষণীয় বিষয় সম্পর্কে ধারণা পেতে পারে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের মস্তিষ্কের উপর চাপ কম পড়ে। ফলে ই-লার্নিং এখন তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। প্রতিদিনই শিক্ষণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন নতুন নতুন শিক্ষার্থী।’
শাহ মো. সানাউল হক তার প্রবন্ধে উল্লেখ করেন, পৃথিবীতে এখন ১১০ বিলিয়ন শিক্ষার্থী ই-লার্নিং পদ্ধতিতে শিক্ষাগ্রহণ করছে। ই-লার্নিংয়ের জন্য অনলাইনে প্রচুর কনটেন্ট রয়েছে। ফলে মোবাইল, স্মার্টফোন এবং ট্যাবের মতো সহজে বহনযোগ্য ডিভাইস ব্যবহার করছে শিক্ষার্থীরা।
সেমিনারে বক্তারা উল্লেখ করেন, ২০২০ সাল নাগাদ সারাবিশ্বে ই-লার্নিং হবে সময় উপযোগী শিক্ষাপদ্ধতি। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়াল ক্লাশ রুমে সংযুক্ত হবেন। এতে করে শিক্ষা ব্যয় অনেকটাই হ্রাস পাবে।
সেমিনারে বক্তারা জানান, ই-লার্নিংকে জনপ্রিয় করতে প্রচুর কনটেন্ট প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাল্টিমিডিয়া ক্লাশ রুম স্থপন করতে হবে। অনুষ্ঠানে এটুআই প্রজেক্টের কর্মকর্তারা জানান, দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ই-লার্নিংয়ের আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

