বিনোদন ডেস্ক : গানের দল চিৎকার-এর প্রথম অ্যালবাম ‘চিৎকার’ প্রকাশিত হচ্ছে ১০ ফেব্রুয়ারি। এদিন সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে জীবনের কাছে আজ, জীবনের মানে চাই’ শিরোনামে প্রকাশনা উৎসবে অ্যালবামটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে।
অনুষ্ঠানে অ্যালবামটির গানগুলো গাইবে চিৎকার। মঙ্গলবার সন্ধ্যার এই আয়োজনে চিৎকারের পাশাপাশি চিৎকারকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গান গাইবে সহজিয়া, অন্যস্বর, সপ্তসিন্ধু, সূর্যসারথি, কফিল আহমেদ এবং চিৎকারের আরও বন্ধু শিল্পীরা। এছাড়া চিৎকারের গান নিয়ে কথা বলবেন শিল্পসমালোচক-শিক্ষক ইমরান ফিরদাউস, রাজনৈতিক কর্মী ও লেখক বাকী বিল্লাহ, সংস্কৃতিকর্মী রফিকুল্লাহ রোমেল সানা, সংস্কৃতিকর্মী-সাংবাদিক আহমেদ মুনীরুদ্দিন তপু, সংস্কৃতিকর্মী-যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ বিপ্লব মোস্তাফিজ এবং কবি-সংগীতশিল্পী কফিল আহমেদ।
চিৎকার অ্যালবামের নয়টি গানেরই গীতিকার ও সুরকার পদ্ম। চিৎকারের লাইনআপ, ভোকাল ও মন্দিরা: পদ্ম, গিটার: রাব্বী, সজীব, ও অতনু, বেইজ: শুভ, ড্রামস: তুহিন। অ্যালবামটির সব গানের রেকর্ডিং ও মিক্সিং হয়েছে ‘বাটার কমিউনিকেশন’ স্টুডিওতে। মাস্টারিং হয়েছে ‘মিউজিক রুম স্টুডিও’ (ভারত)। সবগুলো গানেরই রেকর্ডিস্ট ছিলেন অনিক আহমেদ। এই অ্যালবামের মিউজিক ও সাউন্ড প্রডিউসার পাভেল আরিন। অ্যালবাম প্রকাশক জি-সিরিজ।
তরুণ প্রজন্মের কাছে ইতোমধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠা চিৎকারের এই অ্যালবামের গানগুলো হলো, যত দূর, হাতে হাত, হাট্টিমাটিম টিম, নদীর মত চলি, চলতি হাওয়া, রাত যায়, একা একা দিন, বৃষ্টি আসছে ও এখন ভাঙচুরের সময়।
এটা প্রথম অ্যালবাম হলেও প্রায় এক দশক ধরেই গান গেয়ে যাচ্ছে চিৎকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে ঘিরে চিৎকারের গানের যাত্রা শুরু হলেও দ্রুতই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গান করতে শুরু করে চিৎকার। ইতোমধ্যেই টেলিভিশন এবং রেডিও স্টেশনগুলোর মাধ্যমে সারা দেশের শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে গিয়েছে চিৎকারের গান।
বিগত সময়ের বিভিন্ন ছাত্র-আন্দোলনসহ নানান সামাজিক সাংস্কৃতিক আন্দোলনে গান নিয়ে সক্রিয় উপস্থিতি ছিল চিৎকারের। ক্যাম্পাসে পথে পথে গান গেয়ে বেড়ানোর কারণেই হয়তো কথা ও সুরের মতোই চিৎকারের গানগুলোর ধরনও একটু ভিন্ন। অ্যালবামে যেমন মেলোডিয়াস ধারার গান আছে তেমনি আছে রক ধারার গানও। অ্যালবামটি ১০ ফেব্রুয়ারি থেকেই সারাদেশে পাওয়া যাবে।

