স্পোর্টস ডেস্ক : আইসিসির নিকট থেকে বোলিং অ্যাকশনের বৈধতা ফিরে পাওয়ায় বেশ নির্ভার বোধ করছেন বাংলাদেশের স্পিনার সোহাগ গাজী। টাইগার স্পিনারের বিশ্বাস, শোধরানো বোলিং অ্যাকশন আখেরে উপকৃত করবে তাকেই। আরো ভালো বোলার হতে সাহায্য করবে।
বায়োমেকানিক্যাল টেস্টে উতরে যাওয়ার পর সোহাগ বলেন, ‘দারুণ খুশি আমি। ঠিক কতোটা খুশি তা প্রকাশ করতে পারছি না আমি। মনে হচ্ছে যেন আমার শরীর থেকে ৫০০ কেজি ওজন নেমে গেছে। হ্যাঁ, আমি আমার বাবা-মাকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করেছি। কিন্তু নিজর ভয়টাকে চাপা দিতে পারিনি। যদি এবার ব্যর্থ হতাম তাহলে এক বছর বাদে ফিরতে হত। সেটা ভাবতেও পারিনা আমি। শোধরানো বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষার জন্য আমি বোর্ডকে অনুরোধ করেছিলাম। সুতরাং এটা সবসময় আমার জন্য চ্যালেঞ্জিং ছিল।’
গত বছরের আগস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে সোহাগ গাজীর বোলিং নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। এরপর অক্টোবরের ৮ তারিখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ হয়েছিলেন সোহাগ। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলতেও বোলিং অ্যাকশন নিয়ে নেটে ঘাম ঝরাতে হয়েছে ২৩ বছর বয়সী স্পিনারকে। বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক ফিল্ডিং কোচ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের তত্ত্বাবধায়নে কাজ করেছেন সোহাগ। বাংলাদেশী এই কোচ এর আগে ২০০৮ সালে আবদুর রাজ্জাককে ক্রিকেটে ফিরতে সাহায্য করেছিল।
গেল ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেটে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে খেলে ১৭ উইকেট দখল করেন সোহাগ। কিন্তু বিশ্বকাপের ৩০ সদস্যের দলে তাকে ডাকেননি ক্রিকেট দলের নির্বাচকরা। এমনকি এবার বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকেও বাদ পড়েন বরিশালের স্পিনার। অবশ্য তার সাথে আরো দুই হতভাগ্য আছেন। এখন শিগগির দেশের হয়ে ফিরতে চান সোহাগ। বিষয়টি নিয়ে বলতে গিয়ে টাইগার স্পিনার বলেন, ‘এখন বাংলাদেশে দলে ফেরাটাই আমার জন্য সবচেয়ে চ্যালেঞ্জ।’

