ঢাকাThursday , 14 October 2021
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জবি‘র শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাথাপিছু চিকিৎসা ব্যয় ১০ টাকা!

Link Copied!

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বার্ষিক চিকিৎসা বাজেট মাত্র ২ লাখ টাকা। অর্থাৎ শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বছরে গড়ে প্রায় ১০ টাকার চিকিৎসা সুবিধা পান। আর চিকিৎসাসেবা দেয়ার জন্য রয়েছেন মাত্র দুইজন চিকিৎসক। মেডিকেল সেন্টার পরিচালনায় তিনজন ডাক্তার নিয়োগ দেয়া হলেও বাকী একজন ডাক্তার নিয়মিত আসেন না। নেই রোগ নির্ণয়ের যন্ত্রপাতি ও পর্যাপ্ত ওষুধের সরবরাহ। নামে আধুনিক মেডিকেল সেন্টার হলেও আধুনিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত হয়নি বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র মেডিকেল সেন্টারটিতে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন মেডিকেল সেন্টারটিতে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য কয়েকটি উপকরণ থাকলেও রক্ত পরীক্ষা, ইসিজি কক্ষ, প্যাথলজি ল্যাব, আইসিইউ নেই। তবে গত বছর ২০২০-২১ সেশনের বাজেটে এসব আধুনিক যন্ত্রাদি কেনার বাজেট থাকলেও সেই টাকা ইউজিসিতে ফেরত গেছে বলে জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরনো মেডিকেল সেন্টারটি শুধুমাত্র একটি কক্ষে সীমাবদ্ধ ছিল। সেখানে নাপা, প্যারাসিটামল ও ঠান্ডার ঔষধ ছাড়া আর কিছুই পেতেন না শিক্ষার্থীরা। ছিল না আধুনিক কোনো সরঞ্জাম। জীর্ণ মেডিকেল সেন্টারটি উন্নয়নের জন্য কয়েক দফা আন্দোলন ও অনশন করে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে মেডিকেল সেন্টার আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সর্বশেষ করোনার প্রকোপ বাড়লে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে পুরনো মেডিকেল সেন্টার স্থানান্তর করে ভাষাশহীদ রফিক ভবনের নিচে আধুনিক সরঞ্জামাদিসহ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হলেও শেষ পর্যন্ত আধুনিক সরঞ্জামাদি ছাড়াই তড়িঘড়ি করে উদ্ধোধন করেন সাবেক উপাচার্য ড. মীজানুর রহমান। সেটির নাম হয় আধুনিক মেডিকেল সেন্টার।

এ বিষয়ে উপ-প্রধান চিকিৎসক মিতা শবনম বলেন, ১৯ হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য শুধু আমরা দুজন ডাক্তার আছি। মাঝে মাঝে রোগীর চাপ এত থাকে যে, একা হিমশিম খেতে হয়। অন্যদিকে চিকিৎসা নিতে আসা শিক্ষার্থীরাও পড়েন ভোগান্তিতে। মেডিকেল সেন্টারে ওষুধের সীমাবদ্ধতার বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের খুব স্বল্প পরিমাণ টাকা বাজেট দেয়া হয়। এই টাকা দিয়ে ৩/৪ ধরনের ওষুধের বেশি কুলায় না। আমাদের বাজেট বাড়ালে আরও বেশি ওষুধ নিতে পারবো।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কল্যানের পরিচালক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, আমরা মেডিকেলের বিষয়টা নিয়ে ভাবছি। অন্তত প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য যেনো শিক্ষার্থীরা ভালো মানের সেবা পায় সেদিকে নজর দেয়া হচ্ছে। বাজেট বাড়ানোর বিষয়ে আমরা আলোচনা করবো। বাজেট বাড়ালে শিক্ষার্থীরা উন্নতমানের সেবা পাবে।