ঢাকাWednesday , 4 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফ্লেমিংয়ের গেম-চেঞ্জার সাকিবও

Link Copied!

Sakib-Al-hasanস্পোর্টস ডেস্ক : ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকটি দলের স্কোয়াড চূড়ান্ত। কাউন্ট ডাউনও শেষের সাহ্নে। এখন বিভন্ন দল ও তাদের ক্রিকেট ভক্তদের মধ্যে জল্পনা চলছে কারা আসছে বিশ্বকাপে ব্যাট-বল হাতে ঝড় ওঠাতে যাচ্ছেন? নানা মুনির নানা মত হতেই পারে। তবে এর মাঝেও ‘গেজ চেঞ্জার’ অর্থাৎ খেলার রঙ বদলে দিতে পারেন এমন ক্রিকেট বাছতে কোনো দ্বিধা করেননি সাবেক নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক স্টিফেন ফ্লেমিং। বাংলাদেশের গেম চেঞ্জার হিসেবে সাবেক ব্লাক ক্যাপস তারকার পছন্দ দেশসেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে।
আফগানিস্তান (হামিদ হাসান): চোটের কারণে গত তিন বছর দেশীয় ক্রিকেটে তেমন নিয়মিত হতে পারেননি আফগানিস্তানের দীর্ঘাদেহী পেসার হামিদ হাসান। কিন্তু ২৭ বছর বয়সী ডানহাতি পেসারের বলের অতিরিক্ত গতি বিশ্বকাপে আফগানদের জন্য সম্পদ হতে পারে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) বরিশাল বার্নাসের হয়ে খেলে যাওয়া ক্রিকেটারের জন্য প্লাস পয়েন্ট উইকেটের দুই প্রান্ত থেকে রিভার্স সুইংয়ের ক্ষমতা। যা অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের গতিময় উইকেটে সমস্যায় ফেলবে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানসদের। সেজন্য আফগানিস্তানের গেমচেঞ্জার হিসেবে দেখা দিতে পারেন হামিদ হাসান।
অস্ট্রেলিয়া (গ্লেন ম্যাক্সওয়েল): অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলায় সবাই ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চের দিকে নজর রাখবেন। কিন্তু ফাঁকতালে ম্যাচ বের করে নেয়ার ক্ষমতা রাখেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। কোনো দিনে যদি সে নিজের মতো করে খেলতে পারে তাহলে প্রতিপক্ষের জন্য বিপদ। অতীতে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে কিংস ইলাভেন পাঞ্জাবের হয়ে এমন অনেক নক দেখিয়েছেন অসি অলরাউন্ডার। এমনকি সদ্য শেষ হওয়া ত্রিদেশীয় সিরিজেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ফাইনালে ম্যাচজয়ী একটি ইনিংস উপহার দেন ‘ম্যাড ম্যাক্স’। এখন বড় মঞ্চে জ্বলে ওঠার পালা তার।
বাংলাদেশ (সাকিব আল হাসান): প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে শীর্ষ অলরাউন্ডার হওয়ার অবিশ্বাস্য কীর্তি দেখান বাংলাদেশী ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপে এর যথার্থতা প্রমাণ করতে পারেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে খেলে বেড়ানো টাইগার ক্রিকেটার। এখন সাকিব সবাইকে দেখাতে পারেন কেন তিনি নাম্বার ওয়ান? ফ্লেমিংয়ের ভাষায় এমনিতে সাকিব দক্ষ। তাছাড়া বিশ্বকাপের আগে বিগব্যাশে অংশগ্রহণ তার জন্য ইতিবাচক একটি ঘটনা।  তবে বাংলাদেশের জার্সিতে ভালো কিছু করতে হলে একমেবাদ্বিতীয়ম হতে হবে তাকেই, সেটাও একাকি।
ইংল্যান্ড (ইয়ান মর্গান): অধিনায়ক ও ব্যাটসম্যান হিসেবে ইংল্যান্ডের ম্যাচ উইনার খেলোয়াড় হিসেবে আবির্ভূত হতে পারেন ইয়ন মর্গান। অ্যালিস্টার কুকের প্রস্থানের পর এখন শ্বাষঃকষ্টে ভুগছে ইংল্যান্ডের ড্রেসিং রুম। এ অবস্থায় সামনে থেকে কারো নেতৃত্ব দেয়া প্রয়োজন ইংলিশদের, মর্গান হতে পারেন সেই ব্যক্তি। এক্ষেত্রে ইংল্যান্ড অধিনায়ককে আত্মবিশ্বাসী করবে সদ্য শেষ হওয়া সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অনবদ্য এক সেঞ্চুরি। ফ্লেমিংয়ের সংযুক্তি, মর্গান যদি তার ইতিবাচকতা বজায় রাখেন তাহলে বিশ্বকাপে ক্লিক করবে ইংল্যান্ড।
পাকিস্তান (শহীদ আফ্রিদি): নিজের দিনে প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার ক্ষমতা রাখেন শহীদ আফ্রিদি। বোলিংয়ে দীর্ঘদিন ধরেই দারুণ ধারাবাহিক সে। তবে ব্যাটের যাদুটা মাঝখানে হারিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সদ্য শেষ হওয়া সিরিজে ব্যাট হাতে ভালো কিছু করার আলামত দেখাচ্ছেন পাঠান ব্যাটসম্যান। নজর রাখতেই হবে তার দিকে।
ভারত (মহেন্দ্র ধোনি): চেন্নাই সুপার কিংসে কাছ থেকে দেখার দরুণ বলতে পারি মহেন্দ্র ধোনির মাঝে স্পেশাল কিছু আছে। বড় মঞ্চে খেলতে ভালোবাসে সে। আর তার প্রমাণ করারও কিছু নেই। গেলবার অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ জিতেছে সে। এবার ব্যাডপ্যাচের মধ্যে থাকলেও তার অধিনায়কত্ব ভারতের জন্য বিশাল এক প্রাপ্তি।
নিউজিল্যান্ড (রস টেলর): এবারের বিশ্বকাপে সবাই নিউজিল্যান্ডের ব্রেন্ডন ম্যাককুলাম ও কেন উইলিয়ামসনের দিকে তাকিয়ে থাকবে। কিন্তু চার নম্বরে রস টেলর কিউইদের জন্য বিশেষ কিছুই। বলতে পারি আমাদের ক্রিকেটকে অন্য পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যও তা যথেষ্ঠ। কেননা ফিনিশার হিসেবে সে অনবদ্য।
দক্ষিণ আফ্রিকা (ফ্যাফ ডু প্লেসিস): ওয়ানডের দ্রুততম মালিক হওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের মূল বিজ্ঞাপন এবি ডি ভিলিয়ার্স। সে কতোটা ভয়াবহ ও ধ্বংসত্মক তা আমার অজানা নয়। চেন্নাইয়ে তাকে কোচিং করিয়েছি আমি। তবে ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার ক্ষমতা আছে ডু প্লেসিসেরও।