
২০১১ বিশ্বকাপ জয়ের পর ভারতীয় খেলোয়াড়দের উল্লাস
স্পোর্টস ডেস্ক : ঘরের মাঠে ২০১১ সালের বিশ্বজয়ী দলে মাত্র চার বছর আগেই ছিলেন তারা। একেক জন হয়ে উঠেছিলেন দেশের প্রতিমুখ, পূজার আসরের সবেধন নীলমনি। কিন্তু আসন্ন ২০১৫ ক্রিকেট বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে ১২ জনকেই দেখা যাবে না এবার। বিশ্বকাপের মাসে কী করছেন তারা? সেসব বিশ্বজয়ী খেলোয়াড়ের হালহকিকত ও সর্বশেষ অবস্থার খোঁজ নিচ্ছে দর্শকনন্দিত অনলাইন পোর্টাল বাংলামেইল-
শচীন টেন্ডুলকার: অবসরের পর পুরোপুরি বিশ্রামে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগের (আইএসএল) একটি ফ্রাঞ্চাইজির মালিক। এখন উপস্থিত থাকেন বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে।
গৌতম গাম্ভীর: জাতীয় দলে উপেক্ষিত হলেও ক্রিকেট চালিয়েই যাচ্ছেন। জাতীয় লিগে মাঝে মাঝেই দু একটি ঝকমারি ইনিংস খেলে দিচ্ছেন, যদিও তাতে মন ভরছে না ক্রিকেট দলের নির্বাচকদের।
আশিষ নেহারা: রঞ্জি ট্রফিতে এক ম্যাচে নয় উইকেট নিলেও ফর্মের ধারাবাহিকতা দেখাতে পারছে না। তাছাড়া শারীরিক ভাবেও খুব বেশি ফিট নেই। এই কারণেই জাতীয় দলের দরজা খুলতে পারছেন না অভিজ্ঞ পেসার।
শান্তকুমারন শ্রীসান্থ: বাকিদের তুলনায় অবস্থা একেবারেই আলাদা। দীর্ঘদিন মাঠেই নেই। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) স্পট ফিক্সিংয়ে নাম জড়িয়ে ক্রিকেট থেকে এক প্রকার নির্বাসিত। আপাতত ব্যস্ত গান আর অভিনয় নিয়ে।
বীরেন্দ্র শেবাগ: ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে এখনো ফর্মের সন্ধান করে চলেছেন। সেখানে খুব বেশি আশা জাগাতে না পারায় তারকা ইমেজ থাকা সত্ত্বেও ডাক পাচ্ছেন না জাতীয় দলে।
যুবরাজ সিং: গত বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার বিশ্বকাপের সময় ব্যস্ত থাকবেন রঞ্জি ট্রফিতে। তবে সেখানে ফর্মেই আছেন। সেজন্য মাঝে মাঝে নির্বাচকদের আফসোস হতেই পারে যুবির জন্য।
হরভজন সিং: রঞ্জিতে ফর্ম বলার মতো নয়। বরং বলা চলে খারাপ। সাথে শারীরিক অসুস্থতা হরভজনের জন্য পরিস্থিতি ঘোলাটে তৈরি করেছে। বিশ্বকাপের সময় স্থানীয় রেডিওতে কয়েকটি ম্যাচে ধারাভাষ্য দিতে শোনা যেতে পারে শিখ স্পিনরারকে।
পিযুষ চাওলা: ভারতের হয়ে টি-টোয়েন্টি ও ৫০ ওভারি ক্রিকেটের বিশ্বকাপ জেতার নজির আছে। কিন্তু ফর্ম পড়তির দিকে। সে কারণেই এবার জাতীয় দলে উপেক্ষিত। অবশ্য ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেই চলেছেন পিযুষ।
জহির খান: ইনজুরির জন্য দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্রিকেটে ফেরার চেষ্টা করছেন। অথচ এই মৌসুমে রঞ্জি ট্রফিতে কোনো ম্যাচই খেলা হয়নি মুম্বাই পেসারের।
প্রবীন কুমার: রঞ্জি ট্রফিতে নিয়মিত উইকেট পাচ্ছেন। তবে জাতীয় দলে ঢোকার মতো সেটা যথেষ্ঠ কিছু নয়। মাঝে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে অভব্য ভাষায় গালি দিয়ে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছিল সাবেক ভারতীয় পেসারকে।
ইউসুফ পাঠান: রঞ্জি ট্রফিতে বারোদার হয়ে খেলেই চলেছেন। কিন্তু ফর্ম সাদামাটা। ২০১১ বিশ্বকাপের পর থেকেই বলার মতো কিছু নেই। এমনকি নিজের প্রিয় ফরম্যাট টি-টোয়েন্টিতেও ধারাবাহিকতা দেখাতে পারছেন না গুজরাটের ক্রিকেটার। ঘরে বসেই বিশ্বকাপ দেখবেন।
মুনাফ প্যাটেল: রঞ্জি ট্রফিতে খেলে চলেছেন, উইকেটও পাচ্ছেন। কিন্তু নির্বাচকদের মন কাড়ার মতো কিছু করতে পারছেন না। মুনাফের দাবি ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলটি এবারের থেকে ভালো ছিল।

