নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল দেশ হিসেবে সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ খ্যাতি পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ।
শনিবার (৩ জুলাই) টেলিকম রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের (টিআরএনবি) আয়োজনে ‘ভাতা বিতরণে ডিজিটাল প্রযুক্তি : স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার নিশ্চয়তা’ শীর্ষক ওয়েবিনারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সময়ের অপরিচিত বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছেন। তার নেতৃত্বে ডিজিটাল দেশ হিসেবে সারা বিশ্বের কাছে খ্যাতি পেয়েছে বাংলাদেশ।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে দ্বিতীয়বার দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করার পর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা তাকে তুচ্ছ ভেবে মানুষকে বিপথগামী করার লক্ষ্যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তাদের সব ষড়যন্ত্রকে নস্যাৎ করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করে দেখিয়েছেন।’
প্রধানমন্ত্রী যে কথা বলেন, সে কথা বাস্তবায়ন করেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘সারা বিশ্ব অবাক যে, প্রধানমন্ত্রী কীভাবে এক সময়ের অচেনা বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করে এ দেশের ১৭ কোটি মানুষের ভাগ্যকে পরিবর্তন করেছেন।
দেশের ১৭ কোটি মানুষ প্রধানমন্ত্রীর উপর আস্থা রেখেছে বলে মন্তব্য করেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমদের নতুন প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে। কোটি কোটি অসহায় মানুষের কল্যাণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর যে প্রত্যাশা তা পূরণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রী দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কল্যাণের জন্য যে কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন সেগুলো সফল করতে হবে। দেশ আজ উন্নত বিশ্বে পরিণত হতে যাচ্ছে। গুটিকয়েক স্বাধীনতাবিরোধীরা ষড়যন্ত্র করে আমাদের উন্নয়নের গতিধারাকে ম্লান করতে পারে না। মানুষ আজ ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্রকারীদের প্রত্যাখ্যান করেছে।
নুরুজ্জামান আহমেদ আরও বলেন, ‘করোনা মহামারিতেও আমাদের উন্নয়নের গতিধারা প্রধানমন্ত্রী অব্যাহত রেখেছেন। তার নির্দেশনায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীত ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী উপবৃত্তি প্রদানসহ ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রায় এক কোটি ভাতাভোগীকে ভাতা প্রদানে সক্ষম হয়েছে।’
টিআরএনবি’র সভাপতি রাশেদ মেহেদীর সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। আর ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন টিআরএনবি’র সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার দে।

