স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ সফরে ওয়ানডে সিরিজ হারলেও শেষ ম্যাচে অন্তত সান্ত্বনার জয় পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। কিন্তু ইংল্যান্ডে গিয়ে হালে পানি পাচ্ছে না তরুণ ও নবীন খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া লঙ্কান দলটি।
শনিবার শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের তিন ম্যাচের কোনোটিতেই ন্যূনতম প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারেনি শ্রীলঙ্কা। তাদের হোয়াইটওয়াশ করেই সিরিজ শেষ করেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড।
এটিকে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের জন্য অশনিসংকেত হিসেবে দেখছেন দেশটির কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান সনাৎ জয়াসুরিয়া। নিজ দেশের ক্রিকেটকে বাঁচানোর জন্য এখনই জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে বলে মনে করেন মাতারা হারিকেন।
ইংল্যান্ডের কাছে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে হারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে জয়াসুরিয়া লিখেছেন, ‘শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের জন্য খুবই দুঃখজনক দিন। পরিস্থিতি বেশ নাজুক। ক্রিকেটকে বাঁচানোর জন্য আমাদের জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।’
সিরিজের তিন ম্যাচের একটিতেও ব্যাটে-বলে ইংল্যান্ডকে ন্যূনতম চ্যালেঞ্জও জানাতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। প্রথম দুই ম্যাচে তারা ব্যাট হাতে দাঁড় করায় যথাক্রমে ১১১ ও ১২৯ রানের সংগ্রহ। দুই ম্যাচেই হারায় ৭টি করে উইকেট।
শনিবার রাতে সিরিজের শেষ ম্যাচে আগে ব্যাট করেছে ইংল্যান্ড। ডেভিড মালানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ১৮০ রানের সংগ্রহ পায় তারা। জবাবে মাত্র ৯১ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। অল্পের জন্য নিজেদের ইতিহাসের সর্বনিম্ন ৮২ রানে অলআউট হওয়ার বিব্রতকর রেকর্ড এড়ায় তারা।
এমন সিরিজের পর জয়াসুরিয়া বেশ চিন্তিত হলেও, দলের কোচ মিকি আর্থার এটিকে দেখছেন স্বাভাবিক ফল হিসেবেই। তার মতে, টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ের ১ নম্বর দল ইংল্যান্ড ও ৯ নম্বর দল শ্রীলঙ্কার মধ্যে পার্থক্য এটাই।
দ্বিতীয় ম্যাচ হারের পর আর্থার বলেছিলেন, ‘আমরা যথেষ্ট রান করতে পারছি না। দারুণ বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে খেলতে নামছি আমরা। তারা এখন ১ নম্বর দল আর আমরা আছি ৯ নম্বরে। আপনারাই পার্থক্যটা দেখতে পারছেন। আমরা এখন একটা তরুণ দল নিয়ে এগুচ্ছি। তাই এখন প্রতিটি ম্যাচ থেকে শিক্ষা নেয়াটাই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’
টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে এখন ওয়ানডে ক্রিকেটের লড়াইতে নামবে ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা। আগামী ২৯ জুন শুরু হবে দুই দলের মধ্যকার তিন ম্যাচের সিরিজটি।

