ঢাকাSunday , 20 June 2021
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কিপটে বোলিংয়ের ‘পুরস্কার’ বারের খরুচে বিল

Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক : সেইন্ট লুসিয়া টেস্টে স্বাগতিক ওয়েস্ট ইন্ডিজকে মাত্র ১৪৯ রানে অলআউট করে দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রথম ইনিংসে করা ২৯৮ রানের সুবাদে তাদের লিড এখন ঠিক ১৪৯ রানেরই। এই বড় লিডের অন্যতম কারিগর উইয়ান মাল্ডার। যিনি ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ে মাত্র ১ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে লেজ মুড়ে দেয়া বোলিংয়ে ৪ ওভারে মাত্র ১ রান খরচায় এ ৩ উইকেট নিয়েছেন মাল্ডার। আর এই কিপটে বোলিংয়ের পুরস্কারস্বরুপ কি না তাকে গুনতে হয়েছে বারের খরুচে বিল। অবশ্য সেটি খুশি মনেই দিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
মূলত দক্ষিণ আফ্রিকা দলের অভ্যন্তরীণ একটি রীতির অংশ হিসেবেই খরুচে বিল দিতে হয়েছে মাল্ডারকে। ক্যারিবীয়ের ইনিংসের প্রথম বলে ক্রেইগ ব্রাথওয়েটকে আউট করেছিলেন কাগিসো রাবাদা। তখন সেটিকে ‘কেজ বল’ ডেকেছিলেন মাল্ডার। এই কেজ বলের অর্থ হলো, যেই বোলার উইকেট নেবেন, দলের অন্য সবাইকে তিনি পানীয় পান করাবেন।
সেই মোতাবেক প্রথম উইকেটের জন্য পানীয় পান করানোর দায়িত্ব পড়ে রাবাদার ওপর। কিন্তু শেষ দিকে একাই তিন উইকেট নেয়ায় পরে মাল্ডারকেও পড়তে হয় নিজেরই করা ফাঁদে। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে মাল্ডার নিজেই জানিয়েছেন এ কথা। একইসঙ্গে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন কেজ বল আসলে কী।
মাল্ডার বলেছেন, ‘কেজ বল হলো যখন আপনি দলের জন্য কয়েক রাউন্ড পানীয় এনে দেন। আমরা এই ম্যাচে কয়েকবার কেজ বল ডেকেছিল। ম্যাচের প্রথম বলেই আমি ডেকেছিলাম। এখন আমিই দুর্ভাগা। তবে এটা দলের জন্য ভালো। কারণ এতে একপ্রকার উদযাপনের উপলক্ষ্য চলে আসে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘যখন আপনার নিজের ভেতর থেকে মনে হয় যে এই বলে কিছু হতে পারে বা উইকেট পড়তে পারে, তখন আপনি কেজ বল ডাকেন। এই ইনিংসে তিন-চারটি কেজ বল হয়েছে। এর আগের ইনিংসেও এমন কয়েকটি ছিল।’ এই কেজ বলের বিষয়টি ধারাভাষ্যেও বিস্তারিত বুঝিয়ে দেয়া হয়েছিল।
মূলত কেজ বল ডাকার কারণেই প্রথম ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে জার্মেইন ব্ল্যাকউডকে আউট করার পর উল্লাসের মাত্রা বেশি ছিল প্রোটিয়াদের। সেদিন শর্ট এক্সট্রা কভারে দাঁড়িয়ে ক্যাচ ধরেছিলেন রসি ফন ডার ডুসেন। তিনি ক্যাচটি ধরেই কেশভ মহারাজের দিকে ইঙ্গিত করেন। কারণ সেই বলটিতে কেজ বল ডেকেছিলেন মহারাজ।
এই কেজ বলের কারণে পানীয় পান করানোর খরচ চলে আসায় এটিকে দামি বল হিসেবে উল্লেখ করছেন মাল্ডার। তার ভাষ্য, ‘এটি খুবই দামি বল। দলের মধ্যে একপ্রকার উজ্জীবনী শক্তি নিয়ে আসে, একটু খোঁচা দেয়ার আবহ চলে আসে। যখন কেউ কেজ বল ডাকে তখন সবাই খুশি হয়ে যায়। কারণ তারা জানে এখন ফ্রি পানীয় পাওয়া যাবে।’