নিজস্ব প্রতিবেদক : আর্জেন্টিনার আদালতের অন্যতম কৌশুলী আলবার্তো নিসমানের মৃত্যুর পর রহস্য ঘনীভূত হতে শুরু করেছে দেশটির কূটনৈতিক বলয়ে। শুক্রবার আর্জেন্টিনার চীফ অব স্টাফ অ্যানিবাল ফার্নান্দেজ নিসমানের মৃত্যুর পেছনে দেশটির গুপ্তচর সংস্থার কতিপয় বহিষ্কৃত গোয়েন্দার হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করেন।
অ্যানিবাল ফার্নান্দেজ বলেন, ‘এটা এক ধরনের ক্ষমতার লড়াই। ষড়যন্ত্রের আভাস পেয়ে কতিপয় গোয়েন্দাকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বাহিনী থেকে বহিষ্কৃত করা হয়েছিল। তারা রাষ্ট্রপতি ক্রিস্টিনা ফার্নান্দেজের বিরুদ্ধে আলবার্তো নিসমানের মতো কৌশুলীকে ব্যবহার করে থাকবে। হয়তো তারাই তাকে একের পর এক ভুল তথ্য দিয়ে গেছে, ভুল পথে পরিচালিত করে গেছে। নিসমানও তারই ধারাবাহিকতায় ৩৫০ পাতার প্রদিবেদন উপস্থাপন করেছেন যা বহিষ্কৃতদের ফুঁকে দেয়া মিথ্যা তথ্যে ভরপুর। শেষ পর্যন্ত ঠিক যখন জীবিত নিসমানের চেয়ে মৃত নিসমান তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠলো, তখনই তারা তাকে হত্যা করলো এবং সরকারকে দোষ দিতে লাগলো।’
১৯৯৪ সালের বুয়েন্স এয়রেসের ইহুদি সম্মিলন কেন্দ্র আমিয়া কমিউনিটি সেন্টারে ‘ইরান ও হামাসের’ বোমাহামলার ঘটনায় জড়িতদের সহায়তাকারী হিসেবে আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রপতি ক্রিস্টিনা ফার্নান্দেজ ও প্রধানমন্ত্রী হেক্টর টিমারম্যানকে দুষেছিলেন নিহত আলবার্তো নিসমান। ‘প্রমাণাদি’ উপস্থাপনের পর সেদিন অপরাহ্নেই তাকে আপন বাসভবনের স্নানঘরে ২২ ক্যালিবারের পিস্তল যোগে মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়।

