ঢাকাSunday , 19 April 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কী করছেন বিসিবির ডেভেলপমেন্ট কোচেরা

Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক : করোনাভাইরাসের প্রভাবে স্থবির হয়ে আছে দেশের ক্রীড়াঙ্গন। বন্ধ হয়ে আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের(বিসিবি) খেলাধুলা ভিত্তিক সব কার্যক্রমও। তবে ক্রিকেটারদের ফিটনেস ধরে রাখা নিয়ে ভাবছে বিসিবি।
এই জন্য বিসিবি থেকে এরই মধ্যে ঘরে বসে ফিটনেস ঠিক রাখার একটি গাইড লাইনও দেয়া হয়েছে। ক্রিকেটাররা নিজেদের ফিট রাখার জন্য সেটাউ মেইনটেইন করছেন। তবে বয়সভিত্তিক ক্রিকেটাররা সে কাজটি কতটুকুই বা করতে পারছেন? নিজেকে ফিট রাখার চ্যালেঞ্জটা বয়সভিত্তিক ক্রিকেটাররা নিতে পারছেন তো? এটা দেখভালের দায়িত্ব আপাতত বিসিবির ডেভেলপমেন্ট কোচদের। তারা নিজেদের কাজের সর্বোচ্চটাই করছেন বলে জানা যায়।
খুলনা বিভাগের দুই কোচ ইমদাদুল বাশার রিপন ও মনোয়ার আলী মনু ফোনে জানিয়েছেন, তাঁরা নিয়মিত খোঁজ রাখছেন ক্রিকেটারদের। পরামর্শ দিচ্ছেন প্রতিনিয়তই। এছাড়াও কোচেরা নিজেদের জেলার কোচদের সাথেও যোগাযোগ রাখছেন নিয়মিত।
করোনাভাইরাসের কারণে বাসায় বেশিরভাগ সময় অলসভাবে কাটাতে হয়। এই সময়টা ক্রিকেটাররা কিভাবে কাজে লাগাতে পারে, সেটা নিয়েই কাজ করছেন কোচেরা।
বিসিবির খুলনা বিভাগীয় ডেভেলপমেন্ট কোচ ইমদাদুল বাশার রিপন বলেন, ‘আমরা খুব বাজে একটা সময় পার করছি। এই সময়টাতে সবাইকে বাসায় থাকতে হবে। বিসিবি থেকে আমাদের কাছে কিছু নির্দেশনা দেওয়া আছে। আমরা ক্রিকেটারদের খোঁজ রাখছি। বিশেষ করে বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটারদের। যাতে তারা অন্তত বাসায় বসে ফিটনেসের যতটুকু সম্ভব খেয়াল রাখতে পারে।’
এছাড়াও তিনি সব ক্রিকেটারকেই স্বাস্থ্য সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এছাড়া বিসিবি থেকে ফিটনেস ধরে রাখার যে গাইড লাইন দেয়া হয়েছে, সেটাও ফলো করার পরামর্শ দেন তিনি।
খুলনা বিভাগের ক্রিকেটার ও জেলার কোচদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন এই বিভাগের বিসিবির ডেভেলপমেন্টের আরেক কোচ মনোয়ার আলী মনু। তিনি বলেন, ‘আমরা ক্রিকেটারদের খোঁজ নিচ্ছি। বাসায় বসে কিভাবে শরীরটাকে ফিট রাখতে পারে তার পরামর্শ দিচ্ছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিভিন্ন ভিডিও পোস্ট করেও তাদের সহায়তা করছি। বিভাগের বিভিন্ন জেলায় যে কোচেরা আছেন, তাদের সাথেও যোগাযোগ রাখছি। যাতে তারা অন্তত ক্রিকেটারদের কিছুটা পরামর্শ দিয়ে ঠিক রাখতে পারেন।’
কোচ মনু আরও যোগ করেন, ‘এই সময়টাতে বাসায় বসে অনেক কিছু সম্ভব না হলেও কিছু কিছু কাজ করা সম্ভব। সেগুলো কিভাবে করা যেতে পারে সে ব্যাপারেই পরামর্শ দিচ্ছি।’
ঢাকা মেট্রোর ডেভেলপমেন্ট কোচ মো: সেলিম বলেন, ‘এই সময়টাকে কাজে লাগানোর জন্য আমাদের বেশ কিছু পরামর্শ দেয়া আছে বিসিবি থেকে, আমরা সেটাই ফলো করার চেষ্টা করি। বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটার ও তাদের অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত ফোনে যোগাযোগ করছি। আমাদের একটা ফেসবুক পেজও আছে, সেখানেও কিছু ইনস্ট্রাকশন দেই আমরা। আসলে ফিটনেস ধরে রাখাটাই সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ। এটা ঠিক রাখার জন্য বাসায় বসে স্কিপিং , ব্যাটিং, বোলিং সবটাই করা সম্ভব। কিভাবে সেটা করবে সেটাই বলে দিচ্ছি। সবাইকে আগে আগে ঘুমানো ও ঘুম থেকে ওঠার পরামর্শও দিচ্ছি। কারও বাসা টপ ফ্লোরে হলে, সিড়ি দিয়ে ওঠা-নামা করতে বলছি। সব মিলিয়ে আমাদের বেশ কিছু কাজ এখনও চলছে।’