আন্তর্জাতিক ডেস্ক : থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উত্তর-পূর্বে শহরে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে ২০ জন মানুষকে হত্যাকারী ব্যক্তি নিহত হয়েছেন নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে।
‘পুলিশ ওই অপরাধীকে হত্যা করে আট জিম্মিকে উদ্ধার করেছে। তাদের মধ্যে আহত কয়েকজনও আছেন।’ একজন নিরাপত্তা সূত্র এমনটি বলেছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে।
রোববার সকালে থাই জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী আনুতিন চারনভিরাকুল ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন, ‘ঘটনা শেষ করায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ। গুলিবর্ষণকারী গুলিতে নিহত!!!’
এর আগে জাকরাফান্থ থোম্মা নামে সামরিক বাহিনীর ওই জুনিয়র অফিসার প্রথমে তার কমান্ডিং অফিসারের ওপর হামলা চালিয়ে সামরিক ক্যাম্প থেকে বন্দুক ও বিস্ফোরক চুরি করে।
এরপর সেনা ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে নাখন রাতচাসিমা শহর যা কোরাট নামে পরিচিত, সেখানে এক বৌদ্ধ মন্দির এবং এক শপিং সেন্টারে গুলি চালাতে শুরু করে ওই ব্যক্তি।
যদিও তার হামলার উদ্দেশ্য জানা যায়নি।
থাই গণমাধ্যমের খবরে জানা যাচ্ছে, গোলাগুলিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছেন।
কিন্তু দেশটির কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে খবরটি কেউ নিশ্চিত করেননি।
রোববার স্থানীয় সময় সকাল পাঁচটার পরে নতুন করে গোলাগুলি শুরু হলে সেখানে বাড়তি ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে।
থাই জনস্বাস্থ্য মন্ত্রী আনুতিন চারনভিরাকুল নিশ্চিত করেছেন, ২০ জনের মধ্যে ১৬ জন শপিং সেন্টারেই মারা গেছেন, অপর চারজনকে হাসপাতালে নেবার পর মারা যান।
এখন পর্যন্ত ২১ জন মানুষ আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন, এদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা সংকটাপন্ন। নিহত এবং আহত মানুষের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

