নিজস্ব প্রতিবেদক : সীমান্ত বন্ধ করে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বন্ধ করতে হলে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমাতে হবে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. জামালউদ্দিন আহমেদ এ কথা বলেছেন।
মঙ্গলবার দুপুরে সেগুনবাগিচার এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। মাদকদ্রব্য নিযন্ত্রণ অধিদপ্তরের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জামালউদ্দিন বলেন, ‘২০১৮ সালে এ বিষয়ে ৯ হাজার মামলা হয়েছিল। এ বছর মামলা হয়েছে ১৭ হাজার। তবে মামলার হার অনুযায়ী আসামিদের শাস্তি নিশ্চিত করা যায়নি। যে কারণে তারা জেল থেকে বের হয়ে আবার জড়িয়ে পড়ছে মাদক ব্যবসায়।’
তিনি বলেন, ‘মাদকের বিস্তার রোধ করতে হলে বিচারকদের সুদৃষ্টি একান্ত প্রয়োজন। কারণ ২০১৮ সালে মাদকের যে আইন হয়েছে সেখানে জামিন অযোগ্য করা হয়েছে। তারপরও তারা কীভাবে জামিন পাচ্ছেন সেটা নিয়ে কিছুটা হলেও চিন্তিত আমরা।’
তিনি বলেন, মাদকাসক্ত ৩৫ লাখ মানুষকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।তবে শঙ্কার বিষয় হচ্ছে নারী মাদকাসক্তের সংখ্যা বাড়ছে। গত কয়েক বছরে এ সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে। এ কারণে পারিবারিক সচেনতা বাড়াতে হবে। আর অধিদপ্তরের লোকবলও সঙ্কট রয়েছে।এ কারণে মাদক নিয়ন্ত্রণে আনতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।’

