নিজস্ব প্রতিবেদক : সীমান্তে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে অনুপ্রবেশ, মাদক ও অন্যান্য দ্রব্যের চোরাচালান এবং মানবপাচার বন্ধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘দেশে যে কোনো ধরনের চোরাচালান বন্ধ করা, মাদক পাচার-শিশু ও নারী পাচার থেকে শুরু করে অনুপ্রবেশ-সেগুলো বন্ধ করা বিজিবির একান্ত দায়িত্ব। আমরা চাই, আপনারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করবেন।’
‘বিজিবি দিবস ২০১৯’ উদযাপন অনুষ্ঠানে রাজধানীতে এর সদর দপ্তরে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের সরকার এ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিজিবি পুনর্গঠনের আওতায় ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে একটি বিশ্বমানের আধুনিক সীমান্তরক্ষী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ভিশন ২০৪১ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’
তিনি এ সময় বিজিবির সুনাম অক্ষুন্ন রাখার জন্য এই বাহিনীর সদস্যদের দেশপ্রেম এবং দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং চেইন অব কমান্ড মেনে চলার আহবান জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি আশাকরি যে, আপনারা সব সময় দেশপ্রেম, সততা এবং দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে সব সময় এই বাহিনীর সুনাম ও মর্যাদা সমুন্বত রাখবেন।’
বিজিবির সদস্যদের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমান্ত রক্ষা এবং এমনকি সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা সংকটের পাশাপাশি যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগেও বিজিবি মানুষের পাশে দাঁড়ায়।’
পিলখানা বিজিবি সদরদপ্তরে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম।
বিজিবি দিবস উপলক্ষে বীর-উত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন এবং অভিবাদন গ্রহণ করেন।
বাহিনীর বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে বীরত্বপূর্ণ ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বেশ কয়েকজন বিজিবি সদস্যকে বিজিবি মেডেল, প্রেসিডেন্ট বর্ডার গার্ড মেডেল এবং বিজিবি মেডেল-সেবা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।


