নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ডিম, মাছ, মাংস উৎপাদনে আমাদের উদ্বৃত্ত আছে। কিন্তু মানুষের যে পরিমাণ পুষ্টি জাতীয় খাবার দরকার, সে খাবার তারা কিনে খেতে পারে না। তাদের আয় কম। কাজেই সরকারের চ্যালেঞ্জ হলো মানুষের আয় বাড়ানো।
বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের মিলনায়তনে টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সবুজ পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ কমিটির এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তার তিনটি পিলার। তার একটি হলো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা। আজকে ধানে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। আমাদের দেশে আলুর চাহিদা ৬০-৭০ লাখ টন, আমরা সেখানে ১ কোটি ১০ লাখ টন আলু উৎপাদন করি। প্রায় ৪০ লাখ টন আলু আমাদের উদ্বৃত্ত হয়।’
ড. আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছি- তারুণ্যে শক্তি, তারুণ্যেই সমৃদ্ধি। এই তারুণ্যের শক্তিকে আমাদের ব্যবহার করতে হবে দুইভাবে। তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে, আয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। তরুণদের মধ্যে অনেক সৃজনশীলতা আছে, অনেক উদ্ভাবনী শক্তি আছে। সবাইকে চাকরি দিতে হবে না। আমরা তাদেরকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তার জন্য কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে আমরা অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত এবং অন্যান্য সহযোগিতা দেবো, যাতে ভবিষ্যতে দেশ গড়ার কাজে আমরা তাদের সৃজনশীলতাকে ব্যবহার করতে পারি।’
এসময় ঢাকার বায়ুদূষণ প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে ঢাকা নাকি বিশ্বের এক নম্বর বায়ুদূষণের শহর। এটা মোকাবিলায় আমাদের সুষ্ঠু কর্মসূচি থাকতে হবে। আমাদের যারা বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক সম্মিলিতভাবে কাজ করে আগামী প্রজন্মকে মুক্ত করতে হবে। তাদের জন্য সত্যিকার অর্থে নিরাপদ পৃথিবী তৈরি করতে সচেষ্ট থাকতে হবে।’


