স্পোর্টস ডেস্ক : অভিধানে ‘হাইলাইসটস’ বলে যে একটা শব্দের অস্তিত্ব আছে তা এদিন মাঠেই জীবন্ত করে তুললেন এবি ডি ভিলিয়ার্স।
মারকাটারি ও খুনে মানসিকতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের ধ্বংস করে ছাড়লেন প্রোটিয়া ব্যাটসম্যান। মাত্র ৪৪ বল মোকাবেলা করে সুইচ হিটিংয়ের প্রদর্শনী সাজিয়ে স্কোরবোর্ডে তুললেন অবিশ্বাস্য ১৪৯ রান। আর নিজের নামের পাশে লিখলেন ১৬টি ছক্কা আর ৯টি চারের রূপকথা। অথচ রোববার জোহানেসবার্গের নিউ ওয়ান্ডার্স স্টেডিয়ামে ওয়ান ডাউনে মাঠেই নামার কথা ছিল না দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়কের। কোচের চাপাচাপিতে তখন মাঠে নামেন ডি ভিলিয়ার্স।
হাশিম আমলা ও রিলে রোসিউয়ের ২৪৭ রানের ওপেনিং পার্টনারশিপের পর দক্ষিণ আফ্রিকা কোচ রাসেল ডোমিঙ্গো তার দলীয় অধিনায়ককে ডেকে পাঠান এবং মাঠে নামার জন্য প্রস্তুত হতে বলেন। তবে ডি ভিলিয়ার্স বিষয়টি নিয়ে খুব বেশি নিশ্চিন্ত ছিলেন না! দলের ভালোর জন্য অর্থাৎ, স্কোরবোর্ডে বড় সংগ্রহের জন্য ওয়ান ডাউনে তার নামা উচিত নাকি ডেভিড মিলারের- এটি খুব ভাবাচ্ছিল তাকে। তবে কোচের চাপাচাপিতে শেষ পর্যন্ত ৩৮.৩ ওভারের সময় মাঠে নামেন প্রোটিয়া দলপতি।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ভিলিয়ার্স বলেন, ‘আমাদের প্রথম উইকেট পার্টনারশিপের সময় আমি কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোকে চার থেকে পাঁচবার বলেছি, আপনি নিশ্চিত যে এখন ডেভিড মিলারকে না নামিয়ে আমারই মাঠে যাওয়া উচিত। তখন তিনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমি নিশ্চিত। এর কিছুক্ষণ বাদে সুলেমান বেন বোলিংয়ে আসে, তখন আবার কোচকে জিজ্ঞেস করি- সম্ভবত মিলারেরই নামা উচিত। কিন্তু কোচ আবারো জোর দিয়ে বলেন, না তুমি নামছ।’

