
নিউজ ডেস্ক : আগামী পাঁচ বছরে দেশের ২২ থেকে ২৪ শতাংশ অঞ্চল গাছপালায় আচ্ছাদিত হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে আমরা বিশেষ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। পরিকল্পিতভাবে সারা দেশেই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হবে।’
বুধবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে পরিবেশ ও সমুদ্র বিষয়ক দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের কারণে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের সুষ্ঠু ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনের বিষয়ে আমরা কাজ করছি। তারা যত দ্রুত নিজেদের দেশে ফিরে যাবে, ততই বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার জন্য মঙ্গল।’
মন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে দ্রুত ফেরত পাঠাতে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। মানবিক কারণে তাদের আমরা আশ্রয় দিলেও তাদের কারণে আশ্রয়স্থল এলাকায় প্রাকৃতিক ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে। এজন্য আমরা চাই দ্রুত তারা নিজ দেশে ফিরে যাক।’
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বিশ্বকে বিনিয়োগে আরো বেশি অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার, ভারতের পরিবেশ, বন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী প্রকাশ কেশব জাভড়েকর, মালদ্বীপের পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী আহমেদ মোস্তবা, দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা কর্মসূচির মহা-পরিচালক ড. আব্বাস বশির, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, ‘সুন্দরবনকে আমরা যথাযথভাবে রক্ষা করছি। কেননা এটি আমাদের দেশের পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবুও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে আমাদের দেশের বন ধ্বংস ও নদী দূষিত হচ্ছে। এর অন্যতম একটি প্রধান কারণ আমাদের দেশের জনসংখ্যা।’
তিনি আরো বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ রক্ষা করতে আমাদের পরিবেশ রক্ষায় প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সেদিক থেকে প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণে নিয়মনীতি মেনে চলার বাধ্যবাধকতা প্রয়োজন।’

