ঢাকাMonday , 4 November 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মানবসম্পদ উন্নয়নে নীতিমালা অনুমোদন

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে ‘জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল ব্যবহার নীতিমালা, ২০১৯’ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে এ নীতিমালা অনুমোদন দেয়া হয়।
দুপুরে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের নতুন সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দক্ষ জনশক্তি একটি জাতির সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য। এ কারণে দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শ্রমবাজারের ক্রমবর্ধমান চাহিদার লক্ষ‌্যে দক্ষ জনশক্তি সৃজনের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ নীতিমালা করার উদ্যোগ নেয়।
সচিব বলেন, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দক্ষতা উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম নিয়ে গবেষণা ও সমীক্ষার ক্ষেত্রে আর্থিক অনুদান দেবে। এক্ষেত্রে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের আবেদন যাচাই-বাছাই করে নিষ্পত্তি করবে এবং জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল কোম্পানি প্রত্যাশী প্রতিষ্ঠানকে অর্থ অনুদানের জন্য অনুরোধ জানাবে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে অর্থ বিভাগ জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল নামে একটি কোম্পানি গঠন করেছে। এই প্রস্তাবিত নীতিমালা জাতীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দের জন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠান অথবা কার্যক্রম বা প্রশিক্ষণ প্রদানকারীদের নির্বাচনে কাজ করবে।
খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, অর্থ বরাদ্দ, প্রাপ্তি, প্রতিষ্ঠানসমূহের যোগ্যতা নির্ধারণ, প্রশিক্ষণার্থীকে উপবৃত্তি প্রদানের মানদণ্ড, দক্ষতা উন্নয়ন সম্পর্কিত গবেষণা, সমীক্ষা ও উদ্ভাবন কাজে নিয়োজিত ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান এবং তহবিলের জন্য আবেদন প্রক্রিয়াকরণ তহবিলের জন্য দাখিলকৃত আবেদন নাকচকরণ, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন ইত্যাদির যথাযথ মূল্যায়নে এই নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, এই তহবিল সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠিকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করার চলমান প্রক্রিয়া আরো বেগবান হবে। এতে বেকার সমস্যা নিরসন হবে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। এই নীতি অনুসরণ করে অর্থ বরাদ্দ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাদিহিতা নিশ্চিত করা হবে।