স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ শুরু হতে আর বেশিক্ষণ বাকি নেই। উদ্বোধনী ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে যাওয়ার কারণে প্রোটিয়াদের কাছে যেমন এই ম্যাচটার গুরুত্ব অনেক বেশি, তেমনি নিজেদের প্রথম ম্যাচ বলে বাংলাদেশের কাছেও এর গুরুত্ব অপরিসীম।
বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা মুখোমুখি হওয়ার আগে কিছু ইন্টারেস্টিং পরিসংখ্যানের দিকে চোখ দেয়া যাক।
সাকিব : আর মাত্র এক উইকেট পেলেই পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডেতে ৫ হাজার রান এবং ২৫০ উইকেটের মালিক হয়ে যাবেন সাকিব আল হাসান। পাকিস্তানের আবদুল রাজ্জাক (২৩৪ ম্যাচ), দক্ষিণ আফ্রিকার জ্যাক ক্যালিস (২৯৬ ম্যাচ), শহিদ আফ্রিদি (২৭৩ ম্যাচ) এবং সনাৎ জয়সুরিয়া (৩০৪ ম্যাচ)- এই চারজনই কেবল ওয়ানডে ক্রিকেটে আড়াইশ’র বেশি উইকেট এবং ৫ হাজারের বেশি রানের মালিক। সাকিব এই মাইলফলকে পৌঁছাবেন ১৯৯ ম্যাচে। যা হবে দ্রুততম।
রুবেল : দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হলেন রুবেল। তিনি ৬ ম্যাচে নিয়েছেন ১২ উইকেট। সাকিব আল হাসানও প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ১২ উইকেট নিয়েছেন। তবে তিনি খেলেছেন ১৩ ম্যাচ। রুবেলের চেয়ে ৭ ম্যাচ বেশি।
মোস্তাফিজ : দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে কৃপণ বোলার হচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমান। প্রোটিয়াদরে বিপক্ষে মাত্র ৩.২ ইকনোমি রেটে রান দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে বিশ্বকাপ দলে থাকা বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।
রাবাদা : বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা- উভয় দলের হিসেব করলে কাগিসো রাবাদাই সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী বোলার। তিনি বাংলাদেশের বিপক্ষে ৬ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ১৩ উইকেট। এর মধ্যে ২০১৫ সালে মিরপুরে নিজের অভিষেক ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৬ রান দিয়ে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট।
সাকিব : দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যাট হাতে ১৩ ম্যাচে সাকিব আল হাসান করেছেন ৩২২ রান। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হচ্ছেন তিনি।
সৌম্য সরকার: দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে সর্বোচ্চ গড় হচ্ছে সৌম্য সরকারের। প্রোটিয়াদরে বিপক্ষে তার গড় ৭১ করে।
মুশফিক : বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান হচ্ছেন মুশফিকুর রহীম। ২০১৭ সালে কিম্বার্লির ডায়মন্ড ওভালে ডু প্লেসির দলের বিপক্ষে অপরাজিত ১১০ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি।

