ঢাকাWednesday , 3 April 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সালমানের মামলার শুনানি আজ

Link Copied!

বিনোদন ডেস্ক : বহুল আলোচিত কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় আদালতের রায় চ্যালেঞ্জ করে সালমান খানের করা আবেদনের শুনানি আজ বুধবার। রাজস্থানের যোধপুর সেশন আদালতে এ শুনানি হবে। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
গত বছর এপ্রিলে কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলায় সালমানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন যোধপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দেব সিং খাতরি। এ অভিনেতাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড পাশাপাশি ১০ হাজার রুপি জরিমানা করা হয়। পরবর্তী সময়ে সালমান দুদিন কারাগারেও ছিলেন। এরপর জামিনে ছাড়া পান। তবে এ মামলায় অভিযুক্ত অন্যরা এটি থেকে অব্যাহতি পান।
চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে এ রায় চ্যালেঞ্জ করে একটি আবেদন করেন সালমান। পরবর্তী সময়ে ৩ এপ্রিল শুনানির দিন ধার্য হয়।
১৯৯৮ সালে হিন্দি সিনেমা হাম সাথ সাথ হ্যায়’র শুটিং চলাকালীন যোধপুরের কাছে কঙ্কনী গ্রামে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সালমানের বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে মামলাও দায়ের হয়। সিনেমাটিতে সালমান খানের সহশিল্পী সাইফ আলী খান, সোনালী বেন্দ্রে, টাবু ও নীলমকেও এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
দুই দশক ধরে চলে আসছে এ মামলা। ভারতের বন্যপ্রাণী আইন অনুযায়ী বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা দণ্ডনীয় অপরাধ। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের মানুষ এই হরিণকে ভক্তি করেন এবং এটি রক্ষায় কাজ করে থাকেন।
অভিযোগ রয়েছে যে, ওই সিনেমার শুটিং চলাকালীন নিজেই গাড়ি চালিয়ে শিকারে বেরিয়েছিলেন সালমান। সেই গাড়িতে ছিলেন টাবু, সাইফসহ অন্যরা। গাড়ির মধ্য থেকেই গুলি করে হরিণ হত্যা করেন সালমান। গুলির আওয়াজ শুনে দৌড়ে এসেছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃত হরিণটিকে পড়েও থাকতে দেখেন তারা। পাশাপাশি জিপসি গাড়িটি যে সালমান চালাচ্ছিলেন সেটিও দেখতে পান। তারা গাড়ির পেছনে ধাওয়া করেন। কিন্তু গতি বাড়িয়ে এলাকা থেকে উধাও হয়ে যান তারকারা।
এরপরই সালমান খান ও অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। সালমানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের ৫১ ধারা এবং অন্যদের বিরুদ্ধে ৫১ ও ১৪৯ ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। যদিও বারবার নিজেকে নির্দোষ বলে আসছেন সালমান।
এর আগে ২০০৬ সালে এ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল সালমানকে। কয়েকদিন জেলেও ছিলেন এ অভিনেতা। কিন্তু পরবর্তী সময়ে জামিনে মুক্তি পান তিনি। একই বছর সালমানকে দেওয়া আদালতের সাজা স্থগিত করেন রাজস্থান আদালত।
২০১৬ সালে রাজস্থান উচ্চ আদালত এ মামলা থেকে এই অভিনেতাকে অব্যাহতি দেন। আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, সালমানের বন্দুকের গুলিতেই যে হরিণগুলোর মৃত্যু হয়েছে তার কোনো প্রমাণ মেলেনি। কিন্তু রাজস্থান সরকার এ বিষয়ে আপিল করলে সালমানকে পুনরায় আদালত থেকে নোটিশ পাঠানো হয়।
২০১৭ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফের এ মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়। বাদি পক্ষের আইনজীবী প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য তুলে ধরেন। ২৩ অক্টোবর বাদি পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর সালমানের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয় এবং তা শেষ হয় গত বছর ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য অভিযুক্তদের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। গত বছর ২৪ মার্চ এটি শেষ হয়। এরপর একই বছর ৫ এপ্রিল এ মামলার রায় দেয়া হয়।