নিজস্ব প্রতিবেদক : শুরুটা আমিনুল ইসলাম বুলবুলকে দিয়ে। বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট ম্যাচেই আমিনুল হাঁকিয়েছিলেন সেঞ্চুরি। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজ সেঞ্চুরি পেলেন মুমিনুল হক। তার সেঞ্চুরি দিয়ে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ দল পূর্ণ করল সেঞ্চুরির হাফ সেঞ্চুরি, মানে ৫০তম সেঞ্চুরি।
আমিনুলের পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় সেঞ্চুরির স্বাদ পায় ২০০১ সালে মোহাম্মদ আশরাফুলের ব্যাট থেকে। টেস্ট ক্রিকেটে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি হাঁকান আশরাফুল, যা এখনো ভাঙতে পারেননি কেউ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একই বছর হাবিবুল বাশার হাঁকান সেঞ্চুরি। করেছিলেন ১০৮ রান।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৮টি সেঞ্চুরি তামিম ইকবালের। মুমিনুলের ৭টি। ৬টি সেঞ্চুরি আশরাফুলের। ৫টি করে সাকিব আল হাসান মুশফিকুর রহিমের। ৩টি করে ইমরুল কায়েস ও হাবিবুল বাশারের।
১টি করে সেঞ্চুরি রয়েছে ১৩ ক্রিকেটারের- আমিনুল ইসলাম বুলবুল, শাহরিয়ার নাফিস, জাভেদ ওমর, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, নাফিস ইকবাল, আবুল হাসান, মোহাম্মদ রফিক, নাঈম ইসলাম, জুনায়েদ সিদ্দীক, শামসুর রহমান, খালেদ মাসুদ পাইলট, সোহাগ গাজী ও নাসির হোসেন।
মুমিনুলের সেঞ্চুরি বাংলাদেশের ৫০তম, আর পুরো টেস্ট ইতিহাসের ৪ হাজার ১০৩তম।
চাপের মধ্যে দারুণ ইনিংস খেলেছেন মুমিনুল। ২৬ রানে ৩ উইকেট হারানো বাংলাদেশের রানের চাকা টেনে তোলার দায়িত্ব নেন মুশফিক ও মুমিনুল। দারুণ ব্যাটিংয়ে দলকে বড় সংগ্রহের পথে এগিয়ে নিচ্ছেন দুই ব্যাটসম্যান।
সম্প্রতি দলের অন্যদের মতো মুমিনুলের ব্যাটেও ছিল না রান। সবশেষ আট টেস্ট ইনিংসে ছিল না কোনো হাফ সেঞ্চুরি। অবশেষে আজ হাসল তার ব্যাট। সিকান্দার রাজার বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে ৯৮ থেকে তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। সেঞ্চুরির পর হেলমেট খুলে নিজের সপ্তম সেঞ্চুরি উদযাপন করেন তিনি। ১৫০ বলে ১২ বাউন্ডারিতে পৌঁছান ব্যক্তিগত মাইলফলকে।

