আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির আরেকটি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ভারতের বিহার রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবকে। বিশেষ সিবিআই আদালত বুধবার সকালে এ রায় দিয়েছে। এতে শুধু লালুপ্রসাদ নন, বিহারের আরেক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথ মিশ্রকেও পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে দেওঘর ট্রেজারি মামলায় লালুর কারাদণ্ড আগেই ঘোষিত হয়েছিল। এবার চাইবাসা ট্রেজারি মামলায় কারাদণ্ড হল। রাঁচিতে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত লালুকে দোষী সাব্যস্ত করে। লালুকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকার জরিমানার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই নিয়ে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির তিনটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন তিনি।
ওই চাইবাসা ট্রেজারিরই অন্য একটি মামলায় লালু আপাতত জামিনে থাকলেও দেওঘর ট্রেজারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিনি এই মুহূর্তে কারাগারে রয়েছেন তিনি। সিবিআই আদালতের বিশেষ বিচারক এস এস প্রসাদ বুধবার ওই মামলায় ৫৬ জন অভিযুক্তের মধ্যে লালুসহ ৫০ জনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। দোষীদের মধ্যে অবিভক্ত বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জগন্নাথ মিশ্রও ছিলেন। যে দেওঘর মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাবাস করতে হচ্ছে লালুকে, সেই মামলায় এর আগে বেকসুর ছাড়া পেয়েছিলেন জগন্নাথ।
৬ জানুয়ারি পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির দেওঘর ট্রেজারি তছরুপ মামলায় লালু ছাড়াও দোষী সাব্যস্ত হন আরও ১৫ জন। ১৯৯০-৯৪ সালের ওই দুর্নীতিতে লালুকে সিবিআই আদালত সাড়ে তিন বছরের জেল আর পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করে। অনাদায়ে আরও ছ’মাসের জেল। এর আগে ২০১৩ সালে বাঁকা-ভাগলপুর ট্রেজারি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে জেলে যেতে হয় তাকে।
সাজা ঘোষণার পর লালুর ছেলে তেজস্বী প্রসাদ জানান, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যাবেন। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টেও যাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

