নিজস্ব প্রতিবেদক : নবম ওয়েজ বোর্ডের ফাইল এখন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে রয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। তিনি বলেন, সংবাদপত্রের সাংবাদিকদের যে বেতন বৈষম্য, এটি কাম্য নয়। এটি দূর করতে হবে। বুধবার সকালে নিজ কার্যালয়ে এ কথা বলেন তিনি।
তারানা হালিম বলেন, ‘মালিকের স্বার্থ নয়, সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষা করবে সরকার। বেতন বৈষম্য দূর করা হবে। সুখবর আছে, নবম ওয়েজ বোর্ড সংক্রান্ত ফাইল এখন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে।’ এ সময় তিনি মন্ত্রণালয়ের আগামী দিনের কর্মসূচি তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চেষ্টা করব বাংলাদেশকে বিদেশে তুলে ধরতে। চলচ্চিত্র, বিভিন্ন ডকুমেন্টারিসহ নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিদেশের মাটিতে ব্র্যান্ডিং করব।’
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সম্ভাবনা নিয়ে দেশের জেলা-উপজেলা ও বিদেশের বিভিন্ন মিশনে প্রচারের জন্য ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ নামে একটি প্রচারের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
তিনি বলেন, আমার প্রথম স্লোগানটি হবে ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’। এ স্লোগান নিয়ে বিদেশে যে মিশনগুলো আছে, যেই দেশে শ্রমিক যাচ্ছে সেই দেশের অর্থনীতিতে বাংলাদেশের শ্রমিকদের অবদান কী, কোন কোন সেক্টরে কত শ্রমিক কাজ করছে, আমাদের অর্থনীতিতে সেই শ্রমিকদের অবদান কী এসব নিয়ে প্রচার করা হবে।
‘প্রচারের জন্য চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরকে (ডিএফপি) ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমাদের কিছু ম্যাটেরিয়াল, ডকুমেন্টারি ও প্রেজেন্টেশন তৈরি করতে হবে। আমাদের দেশের শ্রমিক ভাই বা অন্যরা বিভিন্ন মিশনে ভিসার জন্য যান তারা অপেক্ষা করেন। অনেক সময় তাদের শ্রমিক হিসেবে একটু অবহেলা করা হয়। ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশের কাজটি যদি সেখান থেকেই শুরু করি, যে বাংলাদেশ এখন কোথায় দাঁড়িয়ে আছে, বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো একটি দেশ, প্রগতির পথে এগিয়ে চলা একটি বাংলাদেশ,’ বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তারানা হালিম বলেন, বাস্তব বিষয়গুলোকে ফোকাস করে যদি ম্যাটেরিয়ালগুলো তৈরি করে অপেক্ষমাণ শ্রমিকদের বিভিন্ন মিশনে দেখাবার ব্যবস্থা করি, তাহলে তাদের মানবিক যে বিপর্যয় বিভিন্ন দেশে গেলে ঘটে তা ঘটবে না। বরং তারা সতর্ক হবে।
ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ জেলা-উপজেলায় প্রচারে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা চাচ্ছি বিভিন্ন জেলা, উপজেলায় আমাদের প্রজেক্টর আছে। তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুদানে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র, স্বল্প দৈর্ঘ চলচ্চিত্র এবং চলচ্চিত্র জেলা-উপজেলায় জনসমাগম স্থানগুলোতে দেখানোর ব্যবস্থা করব, বিশেষ করে হাট-বাজারে প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে। একই সঙ্গে প্রচার করা হবে বর্তমান সরকারের সাফল্য। কারণ, যখন একটা ছবি বা প্রামাণ্যচিত্র দেখা হয় তখন স্বভাবতই সেখানে মানুষ জড়ো হয়। বাংলাদেশ আসলে এই মুহূর্তে কী অবস্থানে- সেই বিষয়টি আমরা সেখানে প্রচার করব।

