ঢাকাMonday , 1 January 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পল্লীকবি জসীমউদদীনের ১১৫ তম জন্মদিন

Link Copied!

ফরিদপুর প্রতিনিধি : পল্লীকবি জসীমউদদীনের ১১৫ তম জন্মদিন আজ । গ্রামীণ জীবনচিত্রকে সাবলীলভাবে কবিতার পংক্তিতে তুলে ধরে তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিতি পান। ১৯০৩ সালে ১ জানুয়ারি ফরিদপুরের সদর উপজেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জসীমউদদীন জন্মগ্রহণ করেন । বাবা আনসার উদ্দিন মোল্লা ছিলেন স্কুল শিক্ষক। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।
ছোটবেলা থেকেই কবি সাহিত্য চর্চা শুরু করেন। তিনি ফরিদপুর ওয়েলফেয়ার স্কুল ও ফরিদপুর জেলা স্কুলে অধ্যয়ন করেন এবং ১৯২৯ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং এরপর এম এ ডিগ্রি অর্জন করেন। পেশাগত জীবনে তিনি ১৯৩১ সালে দীনেশচন্দ্র সেনের সঙ্গে লোকসাহিত্য সংগ্রহ কাজে চাকরি করেন। ১৯৩৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা সহকারী হিসেবে যোগ দেন। ১৯৩৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৪৪ সালে ঢাবির চাকরি ছেড়ে সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার বিভাগে যোগ দেন। ১৯৬৯ সালে রবীন্দ্র বিশ্ব ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সন্মানসূচক ডি লিট ডিগ্রি প্রদান করে।
বাংলা সাহিত্যে কবি জসীমউদদীনই প্রথম পল্লীর জনগণের জীবন, সংস্কৃতি, তাদের সুখ-দুঃখ নিয়ে ব্যাপকভাবে কবিতা, নাটক, গান রচনা করে খ্যাতিলাভ করেন। কবি যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তখনই তার বিখ্যাত ‘কবর’ কবিতা বাংলা পাঠ্য বইয়ে স্থান পায়। তিনি ১৩ মার্চ ১৯৭৬ সনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাকে তার নিজ গ্রাম গোবিন্দপুরে সমাধিস্থ করা হয়।
প্রতিবছর কবির জন্মদিন উপলক্ষে মাসব্যাপী মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়ে আসলেও এবছর সে আয়োজন না থাকায় হতাশ ভক্ত অনুরাগীরা। তারা মনে করেন, এ আয়োজন না করা হলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাংস্কৃতিক অঙ্গন। নানা সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে কবির বাড়ির তত্বাবধায়ক ফাহিম ইমন জানান, দর্শক আকৃষ্ট করতে এখানে দর্শনার্থীদের অবস্থানের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।
এদিকে এরই মধ্যে কবির বাড়ির পাশে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে সংগ্রহশালা নির্মাণ করা হলেও প্রচারের অভাবে দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে পারছেনা। তবে পল্লীকবি জসীম উদদীন যাদুঘরের ইনচার্জ, সহকারী রসায়নবিদ আলী আজম আকন্দ আল ফরায়েজী জানান, ৯ ডিসেম্বর থেকে জাদুঘরটি সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হলেও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়নি, উদ্বোধন হলে প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে। এতে বাড়বে দর্শনার্থী।