ঢাকাSunday , 17 December 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আর্থিক খাতে অরাজকতায় টিআইবির উদ্বেগ

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : আর্থিক খাতে অভূতপূর্ব অরাজকতা ও ঝুঁকির প্রেক্ষিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। ক্ষমতার অপব্যবহারে একদিকে রাজনৈতিক প্রভাবে লাগামহীন জালিয়াতি, দুর্নীতি ও ঋণ খেলাপির দৌরাত্ম্য এবং অন্যদিকে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের একাংশের অ্যাড-হকভিত্তিক অকার্যকর পদক্ষেপ ও দৃশ্যমান অসহায়ত্বের ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে মনে করে সংস্থাটি। রোববার সংস্থাটির পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই উদ্বেগের কথা জানানো হয়।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে চলমান সংকট নিরসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ও অভিজ্ঞ, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা দরকার। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি নিরসন পরিকল্পনাসহ একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন ছাড়া সরকার ও বিশেষ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো বিকল্প নেই। লাগামহীন জালিয়াতি, দুর্নীতি ও ঋণ খেলাপির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ রোধে নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের একাংশ শুধু অ্যাড-হকভিত্তিক পদক্ষেপে লিপ্ত থাকেনি, বরং মূল সমস্যা উপেক্ষা করে অভূতপূর্ব অরাজকতা ও আস্থার সংকট সৃষ্টি করা হয়েছে।’
ড. জামান বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খাতের পাশাপাশি বহুল-বিতর্কিত ফারমার্স ব্যাংক ও এনআরবিসি ব্যাংকের মতো ব্যাক্তি মালিকানাধীন ব্যাংকে সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি কিছু পদক্ষেপ নিলেও অনিয়মের অন্তর্নিহিত সুনির্দিষ্ট কারণ উদঘাটন করে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হয়নি। এ কারণে লাগামহীন অনিয়মে দেশবাসীর মাঝে দুশ্চিন্তা ও আস্থার সংকট বেড়েই চলেছে, যেমন বেড়ে চলেছে জালিয়াতি, দুর্নীতি ও ঋণ খেলাপির মতো অনিয়মের কারণে জনগণের ওপর চাপিয়ে দেওয়া ক্রমবর্ধমান বোঝা।’
সম্প্রতি কোম্পানি আইন সংশোধন করে বেসরকারি ব্যাংকিং খাতে অনিয়ন্ত্রিত ও জবাবদিহিহীন পরিবারতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের ঝুঁকি সৃষ্টি হয়েছে। টিআইবি মনে করে, অবৈধ উপায়ে ত্বরিত মুনাফা ও সম্পদলোভী স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও চক্রকে চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করতে পারলে এ খাতে আইন অমান্য করার চলমান বেপরোয়া ধারা রোধ করা যাবে না।
এ ছাড়া নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠানসমূহকে যেন কোনো প্রকার চাপের কাছে নতিস্বীকার করতে না হয় ও ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে দায়িত্ব পালন করতে পারে, সে পরিবেশ নিশ্চিতে সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও সৎসাহস থাকতে হবে। পাশাপাশি, প্রয়োজনীয় আইনি ও নীতিকাঠামো এবং পরিবীক্ষণ ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে অ্যাড-হকভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ বন্ধ করতে হবে এবং ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পরিবারতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ সহায়ক সংশোধিত আইনি ধারা বাতিল করতে হবে বলে মনে টিআইবি।