ঢাকাSaturday , 6 December 2014
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বছরের প্রথম দিনেই বই উৎসব

Link Copied!

Studentনিজস্ব প্রতিবেদক : প্রতিবারের মতো এবারো জানুয়ারি মাসের ১ তারিখেই ২০১৫ শিক্ষাবর্ষের ৪ কোটি ৪৪ লাখ শিক্ষার্থীর হাতে পৌঁছাবে বিনামূল্যে পাঠ্যবই। এজন্য ছাপানো হয়েছে ৩২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৭ হাজার পাঠ্যবই। এরমধ্যে রয়েছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের ১১ কোটি ৫০ লাখ বই। নির্বিঘ্নে বই পৌঁছাতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) কাজ করছে নিরলসভাবে। প্রতিবারের মতো এবারো উৎসবের মাধ্যমেই বিতরণ হবে বই।
২০১০ সাল থেকে বিগত বছর গুলোতে বই উৎসবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই বিতরণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর হাতে স্মারক হিসেবে এক সেট বই তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীর হাতে বই তুলে দিয়ে উদ্বোধন করেন এ উত্সবের। এরপর বছরের প্রথম দিনে শিক্ষামন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণ শিক্ষামন্ত্রী স্কুলে গিয়ে বই বিতরণ করেন।
এনসিটিবি জানায়, ২০১০ সাল থেকে চার বছরে শিক্ষার্থীদের ১২৪ কোটি পাঠ্যবই বিনা মূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৪ সালে চার কোটি ৩৩ লাখ ৫৩ হাজার ২০১ জন শিক্ষার্থীর হাতে ৩১ কোটি ৭৭ লাখ ২৫ হাজার ৫২৬টি বই বিতরণ করা হয়। মাধ্যমিক, দাখিল ও ইবতেদায়ীর ৭০ ভাগ এবং প্রাথমিকের ৬৫ ভাগের বেশি পাঠ্যবই সারাদেশের উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানো হয়েছে। দ্রুত সময়ে বাকি বই পৌঁছানো হবে।
এনসিটিবির সচিব ব্রজগোপাল ভৌমিক বলেন, ‘প্রতিবারের মতো এবারো যথা সময়ে বই বিতরণ করা হবে। শিক্ষার্থীর হাতে বই পৌঁছে দিতে একাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বই ছাপা, বাঁধাই, পরিবহন সঙ্গে জড়িত সবাই নির্ঘুম কাজ করে যাচ্ছেন। ভারতের কৃষ্ণা ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান ৯০ লাখ বই ছাপানোর কাজ পেয়েছে। তাদের প্রথম চালানের বই দেশে পৌঁছেছে। আগামী ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে বই পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। ফলে নির্দিষ্ট সময়ে বই ছাত্রছাত্রীদের হাতে পৌঁছাতে কোনো বাঁধা নেই।’
এদিকে এবছরের মাঝামাঝি সময়ে পাঠ্য পুস্তকের কাগজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিভিন্ন শ্রেনীর গণিত, ইংরেজিসহ বেশ কয়েকটি পাঠ্য বই ছিঁড়ে যায় বলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অভিযোগ করেন। কাগজের জিএসএম, বার্স্টিং ফ্যাক্টর, ব্রাইটনেস ঠিক নেই বলে তখন দাবি করেন বিভিন্ন প্রকাশকরা।
এ প্রসঙ্গে ব্রজ গোপাল ভৌমিক বলেন, ‘আমরা সব সময়ই বইয়ের মান রক্ষা করেই ছাপানোর দিকে নজর দেই। এবছরে যে অভিযোগ উঠেছিল তা সঠিক নয়। নিয়ম মেনে এনসিটিবি আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করে বই ছাপায়। দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগ্যতা যাচাই-বাছাই করেই কাজ দেয়া হয়। এছাড়াও একটি মনিটরিং টিম সব সময় তাদারকি করে স্পেসিফিকেশন অনুযায়ী মান বজায় আছে কি না। কাগজের মান নিশ্চিত করতে এনসিটিবির তিন সদস্যের কমিটিও আছে। ফলে মানহীন বই শিক্ষার্থীদের হাতে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।’
তিনি আরো বলেন, ‘বইয়ের মান নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীও কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর বইয়ের কাগজের মান যাচাইয়ের জন্য বাংলাবাজারের বিভিন্ন প্রেস পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রী। মানহীন কাগজে বই ছাপলে ছাপানোর কাজ বাতিলসহ শাস্তির কথাও বলেছেন মন্ত্রী।’
যথাসময়ে বই পৌঁছবে বলে জানান এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর আবুল কাশেম মিঞা। তিনি বলে, ‘গতবার হরতাল, অবরোধের মধ্যে ঝুঁকি নিয়ে যথাসময়ে বই পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। এবার তো কোনো অস্থিরতা নেই, আমারা শিক্ষার্থীদের হাতে যথাসময়ে বই পৌঁছাতে পারবো।’