ঢাকাFriday , 12 May 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‘ধর্ষক’ সাফাত-সাদমান রিমান্ডে

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর বনানীতে একটি আবাসিক হোটেলে দুই তরুণীকে ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মহানগর হাকিম রায়হান উল ইসলাম শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টায় উভয় পক্ষের শুনানি শেষে সাফাত আহমেদের ৬ দিন এবং সাদমানের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য দুই ধর্ষককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ইসমাত আরা এ্যানি। অপরদিকে তাদের আইনজীবী রুহুল আমিন হাওলাদার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।
আইনজীবী রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘এক মাস ৮ দিন বিলম্বে এজাহার দায়ের করেন। এর কোনো সন্তোষজনক জবাব নেই। বাদীকে ডিভোর্স দেওয়ায় সে প্রতিহিংসার কারণে এ মিথ্যা মামলা করেছেন।’ আদালতে হাজির করার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন দুই ধর্ষক। এ সময় তাদের আইনজীবীরা তাদের সান্ত্বনা দেন।
বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণের প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ ও আরেক আসামি সাদমান সাকিফকে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সিলেট থেকে গ্রেফতার করা হয়। সাফাত ও সাদমান সিলেটে আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন।
মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ আপন জুয়েলার্সের মালিকের ছেলে। আর সাদমান পিকাসো রেস্তোরাঁর অন্যতম মালিক ও রেগনাম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ হোসেন জনির ছেলে। মামলার অন্য আসামিরা হলেন— নাঈম আশরাফ (৩০), সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল (২৬) ও অজ্ঞাতনামা দেহরক্ষী।
মামলার পর বনানী থানার পরিদর্শক মতিনকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা বদলানো হয়। এখন তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ।
গত ২৮ মার্চ বন্ধুর সঙ্গে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে বনানীর ‘দ্য রেইনট্রি’ হোটেলে ধর্ষণের শিকার হন দুই বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণী। ওই ঘটনায় গত ৬ মে রাজধানীর বনানী থানায় অভিযুক্ত সাফাত আহমেদ, নাঈম আশরাফ ও সাদমান সাকিফসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তারা। মামলার পর থেকেই পলাতক ছিলেন আসামিরা।