আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত আলেপ্পোতে গাড়ি বোমা হামলায় ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। শহরের রাশিদিন এলাকায় উদ্বাস্তুদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য আসা গাড়িবহরে এ হামলা চালানো হয়।
গত শুক্রবার থেকে হাজারো সিরীয় চার শহর-এর সংঘাতপূর্ণ এলাকায় আটকা পড়ে। চার শহরে সমঝোতার মাধ্যমে তাদের নিরাপদে সরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ইরান ও কাতারের মধ্যস্থতায় এই সমঝোতা হয়, যাতে দুটি বিদ্রেহী দখলকৃত শহর ও দুটি সরকার পুনরুদ্ধারকৃত শহর থেকে বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
উত্তর-পশ্চিমে বিদ্রোহীদের হাতে থাকা শিয়া-অধ্যুষিত ফুয়া ও আল-কাফ্রিয়া এবং দামেস্কের নিকটবর্তী সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন সুন্নিপ্রধান মাদায়া ও আল-জাবাদানি থেকে সরকার ও বিদ্রোহী সমর্থক ৩০ হাজার লোককে সরানোর কথা ছিল। কিন্তু এখনও ফুয়া ও আল-কাফ্রিয়াতে ৫ হাজার ও মাদায়া ও আল-জাবাদানিতে ২ হাজার ২০০ জন লোক আটকা পড়ে আছে।
২০১৫-এর মার্চ থেকে ফুয়া ও আল-কাফ্রিয়া আল-কায়েদা ও সুন্নি বিদ্রোহীদের হাতে রয়েছে। অন্যদিকে, মাদায়া ও আল-জাবাদানি ২০১৫-এর জুন থেকে সিরীয় সেনা ও লেবাননের শিয়া হিজবুাল্লাহ সংগঠনের কব্জায় আছে। বিদ্রোহীরা দাবি করে, সরকার চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে হিসেবের চেয়ে বেশিসংখ্যক সমর্থকদের এলাকায় ঢোকাচ্ছে।
এর আগে ডিসেম্বরে উদ্বাস্তুদের সরানোর কথা থাকলেও সে সময় বিদ্রোহীরা উদ্বাস্তুদের বহনকারী গাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছিল। গত মাসে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়, ওই সব এলাকায় ‘বিপর্যয়কর’ অবস্থা বিরাজমান। ৬৪ হাজারের বেশি লোক দুরবস্থায় রয়েছে। এলাকায় ত্রাণকার্য পরিচালনা করছে সিরীয় রেডক্রস।

