নিজস্ব প্রতিবেদক : সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা মোকাবিলায় একমুখী শিক্ষাব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানিয়েছে জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধ মোর্চা। সংগঠনটির নেতারা মনে করেন, কওমি, ইংরেজি ও সাধারণ- এই তিন ধরনের শিক্ষাব্যবস্থার কারণে সংকট বাড়ছে।
শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংগঠনটির আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মোর্চার আহ্বায়ক সাংবাদিক আবেদ খান। বক্তারা বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি ক্ষমতায় এলে সাধারণ মানুষকে চরম পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।
জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আলোচকরা বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জঙ্গিবিরোধী অভিযানে তুষ্ট হলে চলবে না। সংকট মোকাবিলায় সবাইকে এক হতে হবে। নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করলে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি হেরে যাবে।
মানুষকে জঙ্গিবাদ ও বিভ্রান্তির পথ থেকে সরিয়ে আনার তাগিদ দিয়ে বক্তারা বলেন, এ দেশের অনেকের মনোজগতে সাম্প্রদায়িকতা প্রাধান্য পাচ্ছে। এ কারণে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িক শক্তির দলের সমর্থকদের প্রার্থী নির্বাচনে যাচ্ছে। পরাজিত না হলেও ভোট পাচ্ছে। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অন্যথায় সংকট মোকাবিলা করা যাবে না। এ সময় আলোচকরা যুদ্ধাপরাধীদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবি জানান।
আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন- মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল হেলাল মোর্শেদ খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, অভিনেতা পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, শাহিন রেজা নূর প্রমুখ।

