অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড-এর ২ দিনব্যাপি ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে এ সম্মেলন শুরু হয়। ব্যাংকের বোর্ড অব ডাইরেক্টরস-এর চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথি হিসেবে এ সম্মেলন উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ড. মো. জিল্লুর রহমান, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুল মাবুদ, পিপিএম, পরিচালক হেলাল আহমদ চৌধুরী, সামীম মোহাম্মদ আফজাল, বোরহান উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. কাজী শহিদুল আলম, মো. সাইফুল ইসলাম, এফসিএ, এফসিএমএ, মো. জয়নাল আবেদীন, মো. মিজানুর রহমান ও প্রফেসর ড. মো. সিরাজুল করিম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. আবদুল হামিদ মিঞার সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মো. মাহবুব-উল-আলম। ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, প্রধান কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, জোন প্রধান ও শাখা ব্যবস্থাপকগণ সম্মেলনে অংশগ্রহন করেন।
সম্মেলনে জানানো হয়, ৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত ইসলামী ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮ হাজার কোটি টাকা যা গত বছরের তুলনায় ৬ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা বেশি। একই সময়ে ৮ হাজার ৮শ’ কোটি টাকা নতুন বিনিয়োগসহ মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৫ হাজার কোটি টাকা এবং গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২০ লাখ। ২০১৬ সালে ইসলামী ব্যাংক আমদানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স বাণিজ্য করেছে যথাক্রমে ৩৪ হাজার কোটি টাকা, ২৫ হাজার কোটি টাকা এবং ২৮ হাজার কোটি টাকা।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান আরাস্তু খান প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংকের সকল শক্তি ও সামর্থ্যকে দেশ ও জাতির উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে। দেশের সর্ববৃহৎ ব্যাংক হিসেবে দেশের সকল মানুষের জন্য এ ব্যাংকের সেবার দরজা উম্মুক্ত থাকবে। ইসলামী ব্যাংকের মৌলিক দর্শন, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে কোন পরিবর্তন হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ব্যাংক তার সকল কার্যক্রম শরী’আহ্’র নীতিমালার আলোকে পরিচালনা করবে। এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে।
ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আহসানুল আলম বিশেষ অতিথির ভাষণে বলেন, ইসলামী ব্যাংক দেশের অর্থনীতির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পরিচালনার সাথে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত। সরকারের রূপকল্পপ-২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এ ব্যাংক আগামীতে জিডিপিতে ১ শতাংশ অবদান রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

