ঢাকাThursday , 15 December 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নতুন রূপে জাতীয় স্মৃতিসৌধ

Link Copied!

Savarসাভার প্রতিনিধি : নতুন রূপে সেজেছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। রং-তুলির আঁচড়ে পাল্টে গেছে পুরো স্থাপনার চিত্র। বাহারি ফুলে তৈরি হয়েছে অপরূপ সৌন্দর্য।
বিজয় দিবসকে ঘিরেই সব আয়োজন। জাতির গৌরব আর অহংকারের এ দিনটি উদযাপনে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ঢল নামবে লাখো মানুষের। তাদের শ্রদ্ধা আর ভালোবাসায় ভরে উঠবে শহীদ বেদি। জাতির শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা গ্রহণে প্রস্তুত মহান এই স্থাপনা।
বাঙালির অহংকার আর বীরত্বের প্রতীক এই জাতীয় স্মৃতিসৌধ। সাভারে অবস্থিত স্মৃতির এ মিনারকে ঘিরে টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। অর্ধশতাধিক কর্মী নিয়োজিত ছিলেন ধোয়ামোছার কাজে। লাল-নীল-সাদা রঙে সাজানো হয়েছে প্রতিটি ইট। ফুলের টবেও লেগেছে রঙের ছোঁয়া। নান্দনিকতা বাড়াতে বাদ যায়নি বাগানের ঘাষও। ঘাষের আগাগোড়া ছেঁটে বাড়ানো হয়েছে বাগানের সৌন্দর্য।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের সাভার অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী সতীনাথ বসাক বলেন, ‘মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ১৫ দিন ধরে স্মৃতিসৌধে ধোয়ামোছা ও রং লাগানোর কাজ হয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা সমস্ত কাজ শেষ করেছি।’
তিনি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর ভোরে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সম্মান জানাবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। এরপরেই জাতীয় সংসদের স্পিকার, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, বিরোধী দল, কূটনৈতিক ব্যক্তিবর্গ শ্রদ্ধা জানাবেন। তারপর সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে জাতীয় স্মৃতিসৌধ।
এদিকে ১২ ডিসেম্বর থেকে স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্মৃতিসৌধ এলাকায় তৎপর রয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
এ বিষয়ে সাভার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান ফিরোজ বলেন, ‘নিরাপত্তা ইস্যুতে এবার বেশ কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। এ জন্য পুরো স্মৃতিসৌধকে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। স্মৃতিসৌধ এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে কয়েকটি উঁচু ওয়াচ টাওয়ার। ১৬ ডিসেম্বর সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করা হবে পুরো এলাকা। পুলিশের পাশাপাশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করবে সেনাবাহিনী, র‌্যাবসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সাদাপোশাকেও নজরদারি করবে গোয়েন্দারা।
এদিকে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানোর চূড়ান্ত মহড়া শেষ করেছে তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল। এক সপ্তাহ ধরে শহীদ বেদির সামনে কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছেন সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীর সদস্যরা। ১৪ ডিসেম্বর দুপুরে রাষ্ট্রীয় সম্মান জানানোর চূড়ান্ত মহড়া পরিদর্শন করেন সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ওয়াকার-উজ-জামান। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বেশে শহীদ বেদিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন দুজন সেনা কর্মকর্তা। মোটর শোভাযাত্রা থেকে শুরু করে সবকিছুই ছিল এই মহড়ায়।