নিজস্ব প্রতিবেদক : ছুরি নিয়ে যুবকের হামলা ও আনসার সদস্য খুন হওয়ার পর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরজুড়ে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে বিমানবন্দরে বৈঠক শেষে বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
নিজের জীবন বাজি রেখে আনসার সদস্য সোহাগ আলী যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন সেজন্য তার পরিবারকে আর্থিক সহায়তার ঘোষণাও দেন মন্ত্রী।
মেনন বলেন, ‘শাহজালাল বিমানবন্দরে তিন স্তরের নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এখন থেকে ছয় মাস পরপর আনসার, এপিবিএন, এনএসআই ও ডিজিএফআই নিয়ে এখানে নিরাপত্তা মহড়া দেওয়া হবে। এপিবিএন, এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের কাছ থেকে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ এসেছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘নিহত আনসার সদস্য সোহাগ আলীর পরিবারকে সিভিল অ্যাভিয়েশনের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে এক লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছি। আর আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসার বিষয়টি সিভিল অ্যাভিয়েশন কর্তৃপক্ষ দেখছে।’
তিনি বলেন, এখানে হামলা হতে পারে এমন কোনো তথ্য ছিল না। সিভিল অ্যাভিয়েশন থেকে এ ধরনের তথ্য সরবরাহ করা হয়নি।
রোববার সন্ধ্যায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহির্গমন প্রবেশদ্বারে ছুরিকাঘাতে আনসার সদস্য সোহাগ আলীকে খুন করে এক যুবক।

