আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘর্ষ বন্ধে আইনের শাসন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানালেন অং সান সু চি।
২০১২ সাল থেকে চলমান সংঘর্ষের বিষয়ে মিয়ানমারের বর্তমান সরকারের প্রতিক্রিয়া দাবি করে আসছিল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ও কর্মীরা। বৃহস্পতিবার জাপান সফররত সু চি সরকারের পক্ষে বলেছেন, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মিয়ানমারের উত্তরে রাখাইন রাজ্য মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ। রোহিঙ্গা মুসলিমদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগ পুরোনো। সম্প্রতি পুলিশ সেখানে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছাতে দিচ্ছে না। হত্যা, ধর্ষণ ও লুটের অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে এতদিন মুখ না খোলায় আন্তর্জাতিক মহলে নোবেল জয়ী সু চির তীব্র সমালোচনা হয়।
তবে শেষ পর্যন্ত মুখ খুললেও অভিযোগগুলো দতন্তের বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলেননি। এ বিষয়ে কোনো বিবৃতিও দেননি তিনি। তবে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে পুলিশকে সমঝে কাজ করতে বলেছেন।
৯ অক্টোবর সীমান্ত চৌকিতে হামলার পর রাখাইন রাজ্যে সেনা মোতায়েন করেছে দেশটির সরকার। কর্তৃপক্ষের ধারণা, হামলাকারীরা রোহিঙ্গা মুসলিম। সরকার জানায়, ওই ঘটনার পর সেনা অভিযানে পাঁচ সেনাসদস্য ও ৩৩ হামলাকারী নিহত হন।
পাঁচ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান রয়েছেন সু চি। সেখানে তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ও দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুমিও কুশিদার সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রী পদমর্যাদায় রাষ্ট্রীয় পরামর্শক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সু চি।

