আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইয়েমেনের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় তিয়াজ প্রদেশে বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন ১৮ জন। এ হামলায় বেশ কিছু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। স্থানীয় কর্মকর্তা ও বাসিন্দারা এ তথ্য জানিয়েছেন। তবে কারা এ হামলা চালিয়েছে- হুতি বিদ্রোহীরা নাকি সরকারি বাহিনী, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আলজাজিরা অনলাইনে এক খবরে রোববার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তিয়াজ প্রদেশের আল-সওয়াল জেলায় এ বিমান হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য লড়াই করছে ইয়েমেনের শিয়াপন্থি হুতি বিদ্রোহী এবং সরকারি বাহিনী।
ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর সমর্থনে রয়েছে সৌদি আরব। সৌদির বিমান হামলায় দেশটির কয়েক শত বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারের প্রেসিডেন্ট আব্দ-রাব্বু মানসুর হাদিকে ক্ষমতায় রাখতে চায় সৌদি আরব।
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন, আবদুল্লাহ আবদো নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে বিমান হামলায় তার পরিবারের ১১ সদস্য নিহত হয়েছেন।
তিয়াজ প্রদেশ এখন হুতি বিদ্রোহী ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে। দুই অংশে দুই পক্ষের যোদ্ধারা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। সওয়াল শহর ঘিরে সব সময় যুদ্ধের দামামা বাজে। এ শহরে কে হুতি যোদ্ধা আর কেইবা সরকারি বাহিনীর সদস্য, তা বোঝা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। কারণ এখানে সর্বদাই যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে।
ইয়েমেনে শিয়া ও সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষমতা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ সৃষ্টি হয়, যা রূপ নেয় গৃহযুদ্ধে। এ অবস্থায় চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের সাধারণ ও বেসামরিক মানুষ।

