ঢাকাSunday , 30 October 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পুরনো চেহারায় গুলিস্তান

Link Copied!

gulisthanনিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর গুলিস্তান এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফুটপাত ও সড়ক থেকে হকারদের উচ্ছেদ করা হলেও ফের আগের চেহারায় ফিরে গেছে গুলিস্তান।
গত বৃহস্পতিবার হকার উচ্ছেদ করার জন্য অভিযান চালানোর সময় পুলিশ ও সিটি করপোরেশনের কর্মচারিদের সঙ্গে হকারদের সংঘর্ষ ঘটে। এসময় গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটে। হকার উচ্ছেদ করা হলেও তারা ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে আবার দোকান বসিয়েছেন। রোববার দুপুরে গুলিস্তানে সরেজমিনে গিয়ে এ চিত্র দেখা যায়।
দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, ‘রাস্তা দখল করে কাউকে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না। এ জন্য ওই এলাকার নির্বাচিত কাউন্সিলদের নিয়ে কর্ম পরিকল্পনা করা হবে। যা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এ থেকে গুলিস্তান হকারমুক্ত করার একটি পথও বেড়িয়ে আসবে বলে আশা করি।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হকারদের পুর্নবাসনের জন্যই মূলত এসব করা হচ্ছে। এর বাইরে এ মুহূর্তে আর কিছু বলা যাচ্ছে না।’
গুলিস্তানে আরও দেখা যায়, মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের প্রবেশ মুখ থেকে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার পর্যন্ত হকাররা দোকান সাজিয়ে বসে আছেন। সুন্দরবন মার্কেটের সামনে, আহাদ পুলিশ বক্স, পাতাল মার্কেটের প্রবেশ মুখের আশপাশ, গুলিস্তান হলের সামনে, ফুলবাড়িয়া বিআরটিসি বাস ডিপো সংলগ্ন রাস্তা, মাওলানা ভাসানী স্টেডিয়ামের সামনের জায়গাসহ প্রতিটি জায়গায় রাস্তার দু’ধারে ছোট ছোট চৌকি বসিয়ে এবং ছাউনি দিয়ে নানা পণ্য নিয়ে বসেছেন হকাররা। এর মধ্যে পথচারীদের চলাচলে বেশ বেগ পেতে দেখা যায়। গুলিস্তানের মূল চত্বর ও আশপাশের সবগুলো রাস্তায় যানজট লেগে ছিল।
গোলাপশাহ মাজারের কাছে কাপড় বিক্রেতা নয়ন মিয়া বলছিলেন, ‘রাস্তায় দোকানদারি করলেও চাঁদা দিতে হয়। জীবনের বেশিরভাগ সময় এখানে এ ব্যবসা করে পরিবার নিয়ে চলছিলাম। এখন যদি উচ্ছেদ করা হয় তাহলে যামু কই।’
স্টেডিয়ামের সামনে মোবাইল ফোনের সামগ্রী বিক্রেতা ইস্কান্দার বলছিলেন, ‘তার উপার্জনের ওপর পুরো পরিবার নির্ভরশীল। দোকান করতে না পারলে কি হবে বুঝতে পারছেন? আমার মতো সব হকারের একই অবস্থা হবে। এ কারণে ঝুঁকি নিয়ে হলেও এখানে বসেছি। এখান থেকে আমরা কোথাও যাবো না।’
ছিন্নমূল হকার্স সমিতির নেতা কামাল সিদ্দিকী বলেন, ‘এই এলাকায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার হকার আছে। উচ্ছেদ করলে এদের অনেক অসুবিধা হবে। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না করলে হকারদের উচ্ছেদ করা যাবে না। প্রয়োজনে হকাররা জীবন দিতেও প্রস্তুত।’