ঢাকাSaturday , 29 October 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপাবলী উদযাপন

Link Copied!

dipaboliনিজস্ব প্রতিবেদক : শুরু হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের শ্রীশ্রী শ্যামাপূজা (কালীপূজা) ও দীপাবলী উৎসব। শক্তিরূপিনী শ্যামা মায়ের পূজার্চনা করবেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। একই সঙ্গে শনিবার সন্ধ্যায় ঘরে ঘরে প্রদীপ জ্বালিয়ে উদযাপন করল দীপাবলী উৎসব।
হিন্দু সম্প্রদায়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শ্রী শ্রী শ্যামাপূজা। কার্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে সাধারণত শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এ দিন হিন্দু সম্প্রদায় সন্ধ্যায় বাড়িতে ও শ্মশানে প্রদীপ প্রজ্জ্বালন করে স্বর্গীয় মা-বাবা ও আত্মীয়-স্বজনকে স্মরণ করেন। এটিকে বলা হয় দীপাবলী।
বরাবরের মতো ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহানগর সর্বজনীন পূজা কমিটির উদ্যোগে শ্যামাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। সন্ধ্যায় মন্দির মেলাঙ্গনে সহস্র প্রদীপ জ্বালিয়ে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় হবে দীপাবলী উৎসব। আর রাত ১০টার পর পূজা শুরু হবে।
রাজধানী ঢাকায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, সবুজবাগ থানাধীন শ্রী শ্রী বরদেশ্বরী কালীমাতা মন্দির, পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক ৮৪ নম্বর বনগ্রাম রোডে রাধাগোবিন্দ জিঁও ঠাকুর মন্দির, পোস্তাগোলা মহাশ্মশান, রামকৃষ্ণ মিশন, ঢাকেশ্বরী বাড়ি, সূত্রাপুরের বিহারীলাল জিঁও মন্দির, গৌতম মন্দির, রামসীতা মন্দির, ঠাটারীবাজারে শিবমন্দির, তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজার, বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন মণ্ডপ ও মন্দিরে শ্যামাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে শ্যামা হচ্ছেন শক্তির প্রতীক। তারা বিশ্বাস করেন, সব অন্ধকার দূর করে শ্যামা মা জগতে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করেন।
দুর্গাপূজার মতো কালীপূজাও গৃহে বা মণ্ডপে প্রতিমা নির্মাণ করে পূজা করা হয়। মন্দিরে বা গৃহে প্রতিষ্ঠিত প্রস্তরময়ী বা ধাতু প্রতিমায়ও কালীপূজা করা হয়। মধ্যরাতে তান্ত্রিক পদ্ধতিতে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
দেবীকে ছিন্ন মস্তকসহ বলির পশুর রক্ত, মিষ্টান্ন, অন্ন বা লুচি, মাছ ও মাংস উৎসর্গ করা হয়। গৃহস্থ বাড়িতে সাধারণত অতান্ত্রিক ব্রাহ্মণ্য মতে আদ্যাশক্তি কালীর রূপে কালীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, কালী শ্মশানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। এ কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে শ্মশানে মহাধুমধামসহ শ্মশানকালী পূজা অনুষ্ঠিত হয়।
শ্যামাপূজার সব প্রস্তুতি শেষ করেছে পুরান ঢাকার শাঁখারিবাজার। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে আরাধনা। সন্ধ্যায় মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপাবলী উদযাপন করা হয়। প্রায় অর্ধশত পূজামণ্ডপে সেজেছে শাঁখারি বাজারের আশপাশের এলাকা। মণ্ডপে তোলার জন্য প্রস্তুত আছে কালীমূর্তি।
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে বিকাল সাড়ে পাঁচটায় সহস্র প্রদীপ জ্বালানো হয়। রাজধানীর রমনা কালীমন্দির ও মা আনন্দময়ী আশ্রমে ১০ হাজার প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপাবলী উৎসব হয়।