ঢাকাSaturday , 29 October 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এলপি গ্যাস লিমিটেডের এমডির ৫ দুর্নীতিতে সরব দুদক

Link Copied!

Dudokনিজস্ব প্রতিবেদক : এলপি গ্যাস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশন লিমিটেডের প্রাক্তন এমডি শরীফ আশরাফুজ্জামানের পাঁচ ধরনের দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন, কালোবাজরে পণ্য বিক্রি, বিনা টেন্ডারে পুকুর খনন, অতিরিক্ত গাড়ি ব্যবহার ও নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
১১ পৃষ্ঠার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে যাচাই-বাছাই শেষে সম্প্রতি অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে চলতি সপ্তাহে দুদকের উপসহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলমকে অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনকে তদারককারী কর্মকর্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়। দুদকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে ২০১৫ সালের শুরুর দিকে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের তৎকালীন এমডি শরীফ আশরাফুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে নামলেও তা অনেকটা ফাইলচাপা পড়ে যায়। এবার আরো কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুনরায় অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক।
এ বিষয়ে দুদক সূত্রে আরো জানা যায়, মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশন লিমিটেডের প্রাক্তন এমডি শরীফ আশরাফুজ্জামান বর্তমানে এলপি গ্যাস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরের ১১ জুন তাকে মেঘনা পেট্রোলিয়াম থেকে এলপি গ্যাস লিমিটেডের বদলি করা হয়।
সম্প্রতি দুদকে জমা পড়া অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করা, ঠিকাদারের মাধ্যমে মেরামতকৃত চিলমারী বার্জের সমুদয় স্ক্র্যাব কালোবাজরে বিক্রয় করে দেওয়া, বিনা টেন্ডারে ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে গোদনাইল ডিপোতে পুকুর খনন, বিনা ইন্টারভিউতে কর্মকর্তা নিয়োগ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫টি গাড়ি ব্যবহারসহ বেশকিছু দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে।
এর আগে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশন লিমিটেডে কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির ৭৩ পৃষ্ঠার অভিযোগের অনুসন্ধান কাজ চলমান ছিল। দুদকের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে ওই অনুসন্ধান করা হয়েছিল। যা দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে অনুসন্ধান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অভিযোগে বলা হয়, ঢাকার কাকরাইলের এশিয়ান কার সেন্টার নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে মেঘনা পেট্রোলিয়াম প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের জন্য গাড়ি ভাড়া করেন তিনি। ওই গাড়ি ভাড়ার নামে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন প্রতিষ্ঠানের এমডি। এ ছাড়া বদলি বাণিজ্য, ভুয়া সম্মেলনের নামে ১০ লাখ টাকা আত্মসাৎ, বার্জ মেরামতের নামে স্ক্রাপ প্লেট খুলে ৫০ লাখ টাকা বিক্রিপূর্বক আত্মসাৎ এবং নামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেন শরীফ আশরাফুজ্জামান। প্রতিষ্ঠানের গাড়ি ও জ্বালানি বহনকারী ট্যাংকের মেরামতের ভুয়া বিলের মাধ্যমে বিশাল অঙ্কের অর্থ আত্মসাৎ করেন তিনি। আর ওই সকল অভিযোগ নতুন করে খতিয়ে দেখবেন দুদকের দায়িত্বপ্রাপ্ত নতুন কর্মকর্তা।
এ ছাড়া ২০১৩ ও ২০১৪ সালে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশন লিমিটেডে ৪৫ অফিসার ও ৪৬ কর্মচারী নিয়োগে প্রতিষ্ঠানের এমডি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
এর আগে মেঘনা পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের প্রাক্তন এমডি শরীফ আশরাফুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের পৃথক আরেকটি অভিযোগ নিয়ে দুদকের উপ-পরিচালক জালাল উদ্দিন আহম্মেদ কাজ করছেন। যা এখনো চলমান রয়েছে। ওই অভিযোগ অনুসন্ধানে বিভিন্ন নথিপত্র সংগ্রহ করার পাশাপাশি এমডি-ডিএমডিসহ সংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।
এ বিষয়ে দুদকের সচিব আবু মো. মোস্তফা কামাল বলেন, এ বিষয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অনুসন্ধাধীন বা তদন্তাধীন কোনো বিষয় নিয়ে দুদক থেকে অফিসিয়াল কোনো মন্তব্য করা যায় না।